বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে মাদরাসাকে বাঁচিয়ে রাখার, অগ্রসর করার, আরও আধুনিক করার পরামর্শ অনেকেই দিয়ে থাকেন। কিছু প্রতিষ্ঠান নিজে থেকেই দারুণ দারুণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তারা কুরবানির পশুর চামড়া তাহসিল-সংগ্রহ বাদ দিয়েছে। ভিন্নভাবে আয় বাড়িয়ে মাদরাসা পরিচালনা করছেন। বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার চেয়ারম্যান, যাত্রাবাড়ি বড় মাদরাসার মুহতামিম ও শাইখুল হাদিস আল্লামা মাহমুদুল হাসান তিনটি হেদায়েত বা পরামর্শ উপস্থাপন করেছেন। কীভাবে কুরবানি তাহসিল করা যাবে। নিচে হযরতের তিনটি পরামর্শ পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো-
১। ছাত্রদেরকে কাজের ব্যাপারে সম্পূর্ণ এখতিয়ার দেওয়া। যে চায় কাজ করবে, যে চায় বাড়িতে যাবে। কাউকে কাজের ব্যাপারে বাধ্য করা যাবে না।
২। যারা কাজ করবে, তারা শুধু মানুষের কুরবানি জবাই করে চলে আসবে। চামড়া টানাটানি করা তাদের কাজ নয়। যারা মাদরাসায় দিতে চায়, নিজ দায়িত্বে মাদরাসায় পৌঁছে দেবে।
শায়েখ বলেন, ‘আমার উস্তাদ সাইয়িদ ইউসুফ বিন্নুরি রহ. চামড়া তাহসিল পছন্দ করতেন না। একবার কোনও কারণে তিনি অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ঈদের দিন যখন দেখলেন, ছাত্ররা কাঁধে করে রক্ত- ও ময়লাযুক্ত চামড়া বহন করে আনছে, সঙ্গে-সঙ্গে মাদরাসায় এসে বললেন, ‘আভী বন্দ করো। ইয়ে তালাবা ওয়ারাসায়ে আম্বিয়া হ্যাঁয়, উন সে ইয়ে গান্দেগি কা কাম লেনা মুনাসিব নেহিঁ।’ (এখনই বন্ধ কর। ছাত্ররা নবীর ওয়ারিস, তাদেরকে দিয়ে এ ময়লা চামড়া বহন করানো উচিত নয়।)
৩। যারা বাড়িতে যাবে, তাদের উপর কোনও নির্ধারিত অংকের দান চাপিয়ে না দেওয়া। তাদেরকে কেবল উৎসাহিত করা, যাতে তারা মাদরাসার কল্যানে স্বেচ্ছায় দান করে। কেউ দান করতে না পারলে তাকে কোনও প্রকার শাস্তি দেওয়া যাবে না।
এমকে/36news
