আগাম বন্যা থেকে ফসল রক্ষায় চলনবিলে নির্মিত হচ্ছে আড়াই কোটির রিং বাঁধ

by Abid vs36

বন্যার আগাম পানি থেকে চলনবিল অঞ্চলের কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল রক্ষায় সিরাজগঞ্জে নির্মিত হচ্ছে স্বল্প উচ্চতার ফসল রক্ষা রিং বাঁধ। এই বাঁধ নির্মাণের ফলে সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর জেলার বিশাল ফসলের মাঠ বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাবে। সিরাজগঞ্জের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সোনালী ধানের সমারোহ। এটি চলনবিল বেষ্টিত তিন জেলার কৃষকের সারা বছরের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের ফসল। প্রতি বছর আগাম বন্যার আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াত এই কৃষকদের। সেই শঙ্কা কাটাতে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রাউতারায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্মাণ করছে এক হাজার ২৫০ মিটার দীর্ঘ স্বল্প উচ্চতার এই অস্থায়ী রিং বাঁধ।

বড়াল নদীর ওপর বালু দিয়ে নির্মিত এই বাঁধটি মূলত চলনবিলের ৯টি উপজেলার প্রায় ৭২ হাজার হেক্টর জমির ফসলের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। এটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে প্রায় দুই কোটি ৪৭ লাখ টাকা। স্থানীয় কৃষক আব্দুল মমিন বলেন, এই বাঁধ না থাকলে আগাম বন্যার পানিতে মাঠের পাকা ধান মুহূর্তেই তলিয়ে যেত। বাঁধের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা এখন নিরাপদে ধান ঘরে তোলার অপেক্ষায় আছি। খামারি রহমত আলী জানান, প্রতি বছর এই বাঁধ নির্মাণের কারণে এ অঞ্চলের হাজার হাজার কৃষকের জন্য তা এখন বড় আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বাঁধে যেমন উপকার পাচ্ছেন কৃষকেরা, তেমনি যারা গবাদি পশু পালন করেন তারাও বিশেষভাবে উপকৃত হচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন
banner

শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এই বাঁধের ফলে এ অঞ্চলের কৃষকের ধান আগাম বন্যার পানি থেকে রক্ষা পাবে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি এড়াতে জমির অন্তত ৮০ ভাগ ধান পাকলেই তা দ্রুত কেটে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহিন রেজা বলেন, বাঁধটি সময়মতো নির্মাণ শেষ করে অঞ্চলের কৃষকরা যাতে নিরাপদে তাদের ধান ঘরে তুলতে পারেন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাঁধের বাকি কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

টিএইচএ/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222