যে কারণে কাটছে না ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতা

by Masudul Kadir

বিশেষ প্রতিবেদক :: মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করেই রাজধানীর সবখানেই ব্যাংকটির চেয়ারম্যান নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে গ্রাহকরা। নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে আবারও আলোচনায় দেশের বেসরকারি ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। বিশেষ করে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান নিয়োগ বাতিলের দাবিতে গ্রাহকদের আন্দোলনে নামার বিষটি নানামুখী প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের নিয়োগ বাতিল করে পুরোনো ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ফেরানোর দাবিতে দুদিন ধরে আন্দোলন করছেন ব্যাংকটির গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের একটি অংশ।

বিজ্ঞাপন
banner

সোমবার (১ জুন) ঢাকার মতিঝিলে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে হওয়া এই বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশি অ্যাকশনের ঘটনাও ঘটেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ, জলকামান, টিয়ারগ্যাস এবং সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত মাঠ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। যদিও মাঠের আন্দোলনে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

‘বাইরে যেকোনো ব্যানারে যেকোনো ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হলে বা স্বার্থে আঘাত হানলে তারা আন্দোলন করতে পারে, এই ধরনের আন্দোলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ কম,’ বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র।

কিন্তু একটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে গ্রাহকদের এমন আন্দোলন নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চলমান আন্দোলন নিয়ে অনেকেই যেমন প্রশ্ন তুলেছেন তেমনি ব্যাংকিং খাতে রাজনৈতিক বিবেচনায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি নিয়েও সমালোচনা হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদ এবং ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের সঙ্গে যেন দখল-পাল্টা দখলের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। রাজনৈতিক বিবেচনায় সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের আর্থিক খাতে ক্ষতির অন্যতম কারণ বলেও মনে করেন তারা।

‘পেশাগত দৃষ্টিকোণ থেকে চালানো হয়নি বলেই বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এতটা ভঙ্গুর অবস্থায় পৌঁছেছে,’ বলেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ বা সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

২০১৭ সালের পর থেকেই ইসলামী ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করেছে দেশের আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল আলম (এস আলম) ও তার পরিবারের সদস্যরাই ব্যাংকটির ৮২ শতাংশ শেয়ারের মালিক ছিলেন।

১০ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ ৬৭ জনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের মে মাসে মামলাও করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ওই সময় পুরোনো কর্মকর্তারা ব্যাংকটিকে ‘এস আলম মুক্ত’ করার দাবিতে আন্দোলনও করেছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ইসলামী ব্যাংক ইস্যুটি আবারও আলোচনায় আসে। দায়িত্ব নিয়েই ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বেশ কিছু পরিবর্তন আনে নতুন সরকার।

গত এপ্রিলে দেড় মাসের ছুটিতে পাঠানো হয় ব্যাংকটির চেয়ারম্যান এম জুবাইদুর রহমানকে। সেই সঙ্গে তিন মাসের ছুটিতে পাঠানো হয় ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওমর ফারুক খানকে। সব মিলিয়ে সরকারের এমন পদক্ষেপের কারণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছিল। শেষমেষ ঈদুল আজহার আগে শেষ কর্মদিবসে, অর্থাৎ গত ২৪ মে পদত্যাগ করেন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম জুবায়দুর রহমান।

সেদিন তার পদত্যাগের দাবিতে ব্যাংকের সামনে আন্দোলন করেছিলেন গ্রাহক ও কর্মকর্তা পরিচয়ে একদল ব্যক্তি। ওই দিনই নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে পুরনো রাজনীতিই এখনও চলছে বলে মনে করেন ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টদের অনেকে। তারা বলছেন, একসময় এই ব্যাংকটি জামায়াতে ইসলামীর ব্যাংক হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছিল। পরে ক্ষমতায় এসে ব্যাংকটির দখল নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় ব্যাংকটি দখলে নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও ব্যবহার করেছিল তৎকালীন সরকার।

শুরুতে বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে যাত্রা শুরু করা ব্যাংকটি ২০১৭ সালের পর থেকেই দেশের আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করছিল।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি সারাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় আবারও ব্যাংকটিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকরা। নিজেদের মতো করে পর্যদ সাজিয়েছিল তারা।

অর্থনীতিবিদদের অনেকে মনে করেন, ক্ষমতায় আসার পর ব্যাংকটিকে এবার নিজেদের মত সাজাতে চাইছে বিএনপি সরকার। মূলত এ কারণেই ব্যাংকটির দায়িত্বশীল পদগুলোতে আবারও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যানের পদত্যাগের পর রাতারাতি নতুন চেয়ারম্যানকে নিয়োগে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আর আগে থেকেই দেড় মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে রয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

ঈদের ছুটি শেষে সোমবার ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এবার ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ এর ব্যানারে নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে একটি পক্ষ। এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলেই মনে করেন ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, ইসলামী ব্যাংক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার লড়াই এখনও চলছে।

যদিও ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে আন্দোলনরতরা বলছেন, নতুন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ব্যাংকটি আবারও একটি বিশেষ গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে, এই শঙ্কা থেকেই আন্দোলনে নেমেছেন তারা।

‘নানা অপকৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জনগণের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করছে। আমরা সবাই গ্রাহক, ইসলামী ভাবধারার এই ব্যাংককে দলীয় রূপ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই,’ বলেন ব্যাংকটির এমডি মো. ওমর ফারুক খান।

মঙ্গলবারও সাত দফা দাবিতে ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। এদিন ঢাকার বাইরে রাজশাহী, পাবনা এবং নোয়াখালীতেও কর্মসূচি হয়েছে।

এদিকে, ব্যাংক খাতের একটি বিষয় নিয়ে আন্দেলন হলেও ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনরত গ্রাহকদের ওপর পুলিশের হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, ঢাকার মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে সাধারণ গ্রাহকেরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। কিন্তু কোনো উসকানি ছাড়াই পুলিশ তাদের ওপর বলপ্রয়োগ করে।

সাধারণ গ্রাহকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস ও জলকামান ব্যবহারের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, গ্রাহকদের যৌক্তিক দাবির প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের আন্দোলনরত গ্রাহকরা সাত দফা দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন তারা। যদিও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলছেন, মাঠের আন্দোলনের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের দেখার বিষয় নয়।

‘যদি বাংলাদেশ ব্যাংক এই আন্দোলনের কারণে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তারপর যদি সেই সিদ্ধান্তের কাউন্টারে আরেক গ্রুপ আন্দোলন করে, তখন বাংলাদেশ ব্যাংক কী করবে?’ বলেন তিনি।

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ পাওয়ার পর আন্দোলনের মুখে পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক করতে না পারলেও ওই রাতে অনলাইনে যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতিতেই করা হয়েছে বলে জানান ওমর ফারুক খান।

‘তারা যে রাতে জুম মিটিং করেছে, বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করেই সেটা করেছে। সেখানে পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্যই উপস্থিত ছিলেন। সবার সম্মতিতেই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়,’ বলেন তিনি।

এদিকে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করা ব্যক্তিকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরির সুযোগ রয়েছে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে ওমর ফারুক খান বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক এমনটি মনে করে না। কারণ স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় যদি তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আসত, তার প্রেক্ষিতে উনি পদত্যাগ করতেন বা অপসারিত হতে তবে একটা বিষয় ছিল কিন্তু ওই সময় তো একটা মবের শিকার হয়ে তিনি পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন।’

এছাড়া পরবর্তী দুই বছরেও তার বিরুদ্ধে বাস্তবিক কোনো অভিযোগ প্রমাণ নেই বা তদন্ত হচ্ছে বলেও দেখা যায়নি বলেও মন্তব্য করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র।

২০২৪ সালের অগাস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের চাপের মুখে পদত্যাগ করেছিলেন ওই সময় ডেপুটি গভর্নরের দায়িত্বে থাকা খুরশীদ আলম।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকেই দেশের ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা চলছে। খেলাপি ঋণের বিশাল অঙ্ক এই খাতের টিকে থাকা নিয়েই বড়ো প্রশ্ন তৈরি করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে ইসলামী ব্যাংকে চলমান এই অস্থিরতা দেশের আর্থিক খাতকে আরো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে বলেই মনে করেন অর্থনীতিবিদ এবং ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে ব্যাংকিং খাত সংস্কারে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার কোনোটিই খুব একটা কাজে আসেনি। এক্ষেত্রে কেবল ইসলামী ব্যাংক নয়, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের উদ্যোগের বিষয়টিও সামনে আনছেন বিশ্লেষকরা।

ইসলামী ব্যাংকে চেয়ারম্যান নিয়োগের পর শুরু হওয়া আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট এর অধ্যাপক ড. আহসান হাবীব। তিনি বলছেন, ‘দেশের মানুষ যদি মনে করে যে সব সিদ্ধান্ত রাস্তায় হবে তাহলে ব্যাংক চলবে না, অন্য কিছু চলতে পারে। আন্দোলনকারীদের দাবির ন্যায্যতা থাকলে সেটা নির্দিষ্ট ফোরামে, সরকারের কাছে দাবিগুলো জানাতে হবে।’

এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ বা সিপিডি এর নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলছেন, পেশাগত দৃষ্টিকোণ থেকে চালানো হয়নি বলেই বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এতটা ভঙ্গুর অবস্থায় পৌঁছেছে।

‘যত দ্রুত এই খাত শৃঙ্খলার মধ্যে আসবে ততই ভালো। কারণ এখানে অনেক আমানতকারীর ভাগ্য জড়িত। ব্যাংকে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা হস্তক্ষেপ থাকা কোনোভাবেই কাম্য নয়,’ বলেন ফাহমিদা খাতুন।

দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা ফেরাতে সময় দেওয়ার কথা বলছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট এর অধ্যাপক ড. আহসান হাবীব। বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকে যে নিয়োগ সরকার দিচ্ছে সেদিকে আমরা নজর রাখবো, আমরা কখনই চাইবো না যারা দখল, লুটপাট করেছিল তারা ফেরত আসুক, একইসঙ্গে যারা কাজ করছে তাদেরকেও একটু সময় দিতে হবে।’ তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে ব্যাংকিং খাত অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো না গেলে সার্বিক অর্থনীতিই ভেঙে পড়তে পারে। – বিবিসি

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222