নিজস্ব প্রতিবেদক :: মাত্র ১৪ বছর বয়সেই শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবি রাহিমাহুল্লাহ কামালিয়াত অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন বলে বক্তারা মন্তব্য করেন। তারা বলেন, আমাদের তালিবুল ইলমরাও সেভাবে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করতে হবে। দীনের প্রতিটি লাইনে আবদান রাখা ও মেহনত করাই হলো উলামায়ে দেওবন্দের ফিকির।
বক্তারা শিক্ষার্থীদের আলোরপথের যাত্রী উল্লেখ করে বলেন, দীনের মেহনতের কোন কাজে নিজেদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি সৃষ্টি হলেও অপরকে প্রতিপক্ষ না বানিয়ে বরং সহযোগী বানিয়ে দীনের কাজ আঞ্জাম দিবে। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের সঠিক পরিচয় উপলব্ধি করে সে মতে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। দীনের শাখাগত কোনো বিষয়ে এমনকি কিছু মৌলিক বিষয়েও অন্যের সাথে দ্বিমত হলে তার উপর নিজের চিন্তা ও মতকে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা যাবে না। আকীদার সূক্ষ্ম বিষয়গুলো শুধু একাডেমিক আলোচনাতে রাখা, পাবলিক প্লেসে সেগুলো যথাসম্ভব না নেওয়াই ভালো।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর জামিআতুস সুফফাহ আল-ইসলামিয়া মিলনায়তনে ‘ইলমি মুহাযারা’ সম্পন্ন হয়।
এতে প্রধান তালিমি মুরুব্বি মুফতি ওয়াজেদ আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মূসা আল হাফিজ জামিআতুস সুফফাহর পরিচালক, কিং সাউদ ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডিরত শায়েখ মীযান হারুন এবং ডক্টর কাজী শামীম হোসাইন।
আলোচকদের চমৎকার উপস্থাপনা ও শ্রোতাদের পিনপতন নীরবতা আর মনোযোগের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অসাধারণ এই আয়োজনটি।
