অর্থনৈতিকসহ সব ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিটি দেশের সঙ্গে বিদ্যমান সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানোর ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা কোথাও কমপ্রোমাইজ করব না। সবকিছুই হবে আমাদের দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে। শুরু থেকেই বিএনপি বহুপাক্ষিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।
শনিবার (২৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক ভিত্তির ওপরই পরিচালিত হয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি মূলত পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সেই নীতিরই বাস্তব প্রতিফলন। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের যে মানদণ্ড, তিনি তা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিএনপির রাজনীতিতেও শুরু থেকেই এই নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিটি দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার যে নীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বর্তমান সরকারও সেই ধারাবাহিক ধারা অনুসরণ করছে।
তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের শ্রমবাজারে একটি বড় স্বার্থ জড়িত রয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগেও দেশটির সঙ্গে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। অন্যদিকে চীনের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পে বড় ধরনের সহযোগিতা রয়েছে। এর বাইরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদারও হলো চীন। ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক স্বার্থ বিবেচনা করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সম্ভাবনাকে আরও গতিশীল করা হচ্ছে।
টিএইচএ/
