৩৬নিউজ ডেস্ক: দেশের চা শিল্পের বিকাশ, উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এবং অর্থায়নসহ দীর্ঘদিনের বিরাজমান সংকট সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নীতিগত, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের চা শিল্পের সার্বিক উন্নয়ন ও সমসাময়িক সমস্যা নিয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত দেশের বিভিন্ন চা বাগানের মালিক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা দেশীয় চা শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, আর্থিক মূলধনের সংকট, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগী বজায় রাখার জটিল চ্যালেঞ্জগুলো প্রধানমন্ত্রীর সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পাশাপাশি এই খাতের স্থায়িত্ব রক্ষায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন তাঁরা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চা বাগান মালিকদের বক্তব্য অত্যন্ত মনোযোগের সাথে শোনেন এবং চা শিল্পকে বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, চা শিল্পের আধুনিকায়ন ও উৎপাদন বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় সব নীতিগত, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দিয়ে পাশে থাকবে।
আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী চা বাগান মালিকদের বকেয়া ও বিদ্যমান ঋণের ভার সহজ করা এবং স্বল্প সুদে নতুন ঋণের সুবিধা দেওয়ার প্রাথমিক আশ্বাস দেন। এর পাশাপাশি চা বাগানগুলোতে পতিত ও চাষের অনুপযোগী জমিতে পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে এবং এই ধরণের নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত আর্থিক সহযোগিতা দেবে সরকার।
চা খাতের যাবতীয় জটিলতা চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং চা শিল্প-সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।
টিএইচএ/
