রিমান্ড শেষে কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী, রিমান্ডে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’

by hsnalmahmud@gmail.com

ঢাকার মিরপুরে বাসা থেকে স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রিমান্ডে আলভীর কাছ থেকে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে’ বলে আদালতকে জানিয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন
banner

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ এ আদেশ দেন।

আদালতে আলভীর পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা। তিনি বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

একইসঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের সম্পৃক্ততাও তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি জানান তিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক আদালতে আলভীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, রিমান্ড চলাকালে তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্যও মিলেছে বলে দাবি করা হয়। তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন জাহের আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে ২১ জুন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ইকরাকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় অপমানজনক ও উসকানিমূলক মন্তব্য করতেন জাহের আলভী।

এছাড়া বিবাহিত থাকা অবস্থায় অন্য এক নারীর সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য পোস্ট করার অভিযোগও রয়েছে। মামলার প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং বিভিন্ন তথ্য যাচাইয়ের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে একই মামলায় গত ৪ জুনজাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জামিন দেওয়া হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফরা ইবনাত ইকরাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে।

ঘটনার পরদিন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222