মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে ইরাকের কুর্দি-অধ্যুষিত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে কুর্দিদের তিনটি কৌশলগত অবস্থান লক্ষ্য করে শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি নিজেই এক বিবৃতিতে এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা তাসনিম-এ প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী যদি ইরানের আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়, তবে তাদের কঠোরভাবে ধ্বংস করা হবে।
এর আগে গত বুধবার (৪ মার্চ) সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের অভ্যন্তরে সরকারবিরোধী বিদ্রোহ উসকে দিতে ইরাকভিত্তিক কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে উন্নত অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। সিআইএ-র এই গোপন পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীকে ব্যস্ত রাখা, যাতে বড় শহরগুলোতে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সুযোগ তৈরি হয়। মূলত ওয়াশিংটনের এই কৌশলী পদক্ষেপের পাল্টা জবাব হিসেবেই ইরান কুর্দিদের ওপর এই সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের হামলার দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। আইআরজিসি এক জরুরি বিবৃতিতে জানায়, এই দেশ দুটিতে মার্কিন সামরিক অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে তারা ব্যাপক ও যৌথ হামলা চালিয়েছে।
টিএইচএ/
