চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় ভিটেমাটি হারানো ৩০০ পরিবারের জন্য দুই কক্ষের ইন্ডাস্ট্রিয়াল টিনের নতুন পাকা ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। একই সাথে দুর্যোগকবলিত এলাকার মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ বিতরণ ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন কার্যক্রমও জোরদার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
রোববার (১২ জুলাই) আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বন্যাপরবর্তী পুনর্বাসন প্রকল্পের অংশ হিসেবে গৃহহারা ৩০০ পরিবারকে এই টেকসই ঘরগুলো তৈরি করে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে তহবিলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে এই ঘর নির্মাণ এবং সার্বিক ত্রাণ কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
পোস্টে আরও জানানো হয়, বাঁশখালীর সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চারটি ইউনিয়নের দুই হাজার বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ইতিমধ্যে জরুরি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ঢাকায় আরও চার হাজার খাবারের প্যাকেজ প্রস্তুতির কাজ চলছে, যা দ্রুততম সময়ে চট্টগ্রামে পৌঁছে দেওয়া হবে। এসব ত্রাণসামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত আটটি উপজেলার পরিবাগুলোর মধ্যে ধাপে ধাপে বিতরণ করা হবে।
সংকটময় এই পরিস্থিতিতে বন্যাকবলিত গৃহহারা মানুষদের পাশে দাঁড়াতে দেশ ও বিদেশের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের প্রতি মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
উল্লেখ্য, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন শুরু থেকেই চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত দুর্গম এলাকাগুলোতে বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র বিতরণ করে আসছে। জরুরি সহায়তার পাশাপাশি এবার গৃহহীনদের জন্য স্থায়ী বাসস্থান নির্মাণের এই পদক্ষেপকে বন্যাকবলিত মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে একটি বড় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
টিএইচএ/
