নিজস্ব প্রতিবেদক >>>
বর্তমান সময়ের মিডিয়া বিশ্বে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে বিদ্বেষমূলক আগ্রাসন চালাচ্ছে, তা প্রতিহত করতে মিডিয়ায় আলেম সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবি। ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণার বিরুদ্ধে শান্তিকামী আলেমদের জ্ঞাননির্ভর ও যুক্তিনিষ্ঠ ভূমিকাই হতে পারে কার্যকর জবাব।
শনিবার (১৫ জুন) বেলা ১১টায় ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত দারুর রাশাদ মাদরাসায় অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক, লেখক ও দারুল উলূম নদওয়াতুল উলামা (লখনৌ, ভারত)-এর ভাষা সাহিত্য ও সাংবাদিকতা বিভাগের ডিন ও কলামিস্ট ড. উবায়দুর রহমান নদভী।
‘মিডিয়া ও গণমাধ্যমে আলেমদের সরব উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা এবং পথ ও পদ্ধতি’ শীর্ষক এ আলোচনাসভাটি আয়োজন করে দাওয়াতি সংগঠন পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দারুর রাশাদ মাদরাসার মুহতামিম ও পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান শায়খ মাওলানা মুহাম্মাদ সালমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন দারুর রাশাদের শিক্ষা সচিব, দৈনিক নয়াদিগন্তের সিনিয়র সাব-এডিটর এবং সংগঠনের অভিভাবক পরিষদের সদস্য মাওলানা লিয়াকত আলী। স্বাগত বক্তব্য দেন পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের আমীর, মরহুম সাইয়েদ রাবে হাসানী নদভী রহ.-এর খলিফা ড. মাওলানা শহীদুল ইসলাম ফারুকী।
প্রধান আলোচক ড. উবায়দুর রহমান নদভী বলেন, “ইসলামের ওপর আগ্রাসন সব যুগেই হয়েছে—প্রথমে তলোয়ারের মাধ্যমে, এখন হচ্ছে মিডিয়ার মাধ্যমে। অতএব, প্রতিরোধও হওয়া উচিত মিডিয়ায় আলেমদের জ্ঞান, যুক্তি ও সাহসিকতায়।”
তিনি বলেন, “আজ ইসলামের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ, অপপ্রচার ও অপপ্রশ্ন তোলা হচ্ছে, সেসবের জবাব মিডিয়ায় বসেই দিতে হবে। এই কাজটি কেবল আলেমদেরই করতে হবে। কারণ তারাই সত্য ও শান্তির প্রতিনিধি।”
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গঠনমূলক বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচারণার কোনো বিকল্প নেই। মিডিয়া জগতে আলেমদের অংশগ্রহণ যত বাড়বে, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সত্য প্রতিষ্ঠা তত সহজ হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ড. একেএম মুহিব্বুল্লাহ, অধ্যাপক মাওলানা মহব্বত হুসাইন, মাওলানা আব্দুল হাই নদভী, মাওলানা আশরাফ আলম নদভী, মাওলানা সাইয়েদ তালহা নদভী, মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা সোহরাব হুসাইন, মুফতি মোস্তফা আশরাফী, মুফতি আব্দুল্লাহ শিবলী, মুফতি জুবায়ের আহমদ আল-ওয়ারিসীসহ আরও অনেকে।
এনএ/
