দুদিন পরপর হিজাব-পর্দা ইস্যুতে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এর স্থায়ী সমাধানের দাবি উঠেছে। নাগরিকদের ধর্ম পালনের অধিকার সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, ড্রেসকোডের খোঁড়া অজুহাত তুলে কারো ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্ত/ক্ষেপ করা সংবিধান পরিপন্থী কাজ।
তারা আরও বলেন, পাগড়ি শিখদের ধর্মীয় প্রতীক। পৃথিবীর প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমনকি বিভিন্ন বাহিনীতেও তারা পাগড়ি পরে পড়াশোনা ও চাকরি করতে পারে। তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে মেয়েরা কেন হি*জাব-নিকাব পরে পড়াশোনা করতে পারবে নাএমন প্রশ্নও তুলেছেন তারা।
এ বিষয়ে রাষ্ট্রের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে—ড্রেসকোডের অজুহাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারে যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা জারি করার জন্য।
এনআর/
