দুই দিন আগেও বাংলাদেশের এশিয়া কাপের সুপার ফোরে খেলা নিয়ে সন্দেহ ছিল অনেকের মনে। শ্রীলঙ্কার ওপর নির্ভর করে থাকা বাংলাদেশ এখন সেই লঙ্কানদের হারিয়েই এক নতুন স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করেছে। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের পর ফাইনালে যাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে লিটন দাসদের জন্য। এখন শুধু প্রয়োজন সুপার ফোরে বাকি দুটি ম্যাচের যেকোনো একটিতে জয়—ভারত বা পাকিস্তানকে হারাতে পারলেই নিশ্চিত হবে ফাইনালের টিকিট।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সের পর আত্মবিশ্বাসী সাইফ হাসান জানান,
“টুর্নামেন্টে আসার আগে সবার মধ্যে বিশ্বাস ছিল যে আমরা ফাইনাল খেলব। আরও একটা ধাপ এগিয়েছি। এখনো দুটো ম্যাচ বাকি। আমাদের ফোকাস পরের ম্যাচের দিকেই।”
দলের মনোবল ও আত্মবিশ্বাস যে উচ্চতায় আছে, তা বোঝা যাচ্ছে প্রতিটি খেলোয়াড়ের চোখেমুখে। ফাইনাল খেলার সুযোগ বাংলাদেশের জন্য নতুন নয়—এর আগে ২০০৮, ২০১২ ও ২০১৮ সালে ফাইনালে উঠেছিল তারা, যদিও তিনবারই হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে।
স্বপ্ন নিয়ে সাইফের বক্তব্য অনুপ্রেরণামূলক, “স্বপ্ন দেখা উচিত। বড় স্বপ্ন দেখা উচিত। স্টেপ বাই স্টেপ এগোনো উচিত। আমাদের পরের ম্যাচ ভারতের সঙ্গে, ফুল ফোকাস ওই ম্যাচে থাকবে। তার পরেরটা পরে দেখা যাবে।”
ফাইনালে উঠলেও এখনো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পায়নি বাংলাদেশ। এবার সেই অপূর্ণতা ঘোচানোর সুযোগ তাদের সামনে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় যেন শুধু একটি ম্যাচ নয়, বরং নতুন আত্মবিশ্বাস, নতুন উপলব্ধি ও নতুন দিগন্তের সূচনা। এখন দেখার বিষয়, ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ কীভাবে নিজেদের পরিকল্পনা কাজে লাগায়। তবে এক জিনিস নিশ্চিত—এই দলটা এখন স্বপ্ন দেখছে, এবং সেই স্বপ্ন ছোঁয়ার মতো সক্ষমতাও তাদের আছে।
টিএইচএ/
