ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবসৃষ্ট সংগীত শিক্ষক পদ বাতিল করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে বাদ দেওয়া হয়েছে শরীরচর্চা শিক্ষকের পদও।
এই দুটি পদ বাদ দিয়ে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা–২০২৫’-এ আনা হয়েছে কিছু শব্দগত ও কাঠামোগত সংশোধন। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী আগের চারটি ক্যাটাগরির পরিবর্তে এখন শিক্ষক পদ দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয় অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাসুদ আকতার খান সোমবার দুপুরে গণমাধ্যমকে জানান, “রোববার সংশোধিত বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন বিধিমালায় সংগীত ও শরীরচর্চা বিষয়ে সহকারী শিক্ষকের পদ রাখা হয়নি।”
পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত কি ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলোর চাপের ফল—এমন প্রশ্নে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে বলেন, “আপনারা এটি খতিয়ে দেখতে পারেন।”
এছাড়া, বিধিমালায় একটি শব্দগত পরিবর্তনও আনা হয়েছে বলে জানান তিনি। আগের বিধিমালায় উল্লেখ ছিল—নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ২০ শতাংশ পদ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য এবং বাকি ৮০ শতাংশ পদ “অন্যান্য বিষয়ে” স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য সংরক্ষিত।
অতিরিক্ত সচিবের ভাষায়, “‘অন্যান্য বিষয়ে’ শব্দবন্ধটি বিভ্রান্তি তৈরি করেছিল। তাই সংশোধিত বিধিমালায় এখন বলা হয়েছে—‘বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্যূন স্নাতক ডিগ্রিধারী’ আবেদন করতে পারবেন।”
হাআমা/
