বিশ্বখ্যাত ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞ, পাকিস্তান জাতীয় কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের সভাপতি ও পাকিস্তান শরয়ি আদালতের সাবেক বিচারপতি শাইখুল ইসলাম মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি বলেছেন, আইন করে কাউকে আজীবন বিচারিক কার্যক্রম থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া ইসলামি শরিয়ত ও সংবিধানের মূল চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
রবিবার (১০ নভেম্বর) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ সূত্রে জানা গেছে, এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইসলামি ব্যবস্থায় একজন ব্যক্তি যত বড় পদমর্যাদা বা ক্ষমতার অধিকারী হোক না কেন— কেউই আদালতের জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়।
তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, ইসলামের ইতিহাসে খলিফায়ে রাশেদিনের আমলেও শাসকদের জবাবদিহির দৃষ্টান্ত রয়েছে, যা সবার জানা।
মুফতি তাকি উসমানি আরও বলেন, আমাদের সংবিধানে পূর্বেও রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্বকালীন বিচারিক সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল, যা ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী ছিল। এখন আজীবন এমন রেহাই দেওয়ার উদ্যোগও শরিয়ত ও সংবিধান উভয়ের সরাসরি বিরোধী।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের ব্যতিক্রমমূলক আইন আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক হবে। সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মুফতি উসমানি বলেন, আপনারা যেন এই অন্যায় ও গুনাহের বোঝা নিজের কাঁধে বহন না করেন।
সূত্র: জিও নিউজ।
অনুবাদ: আমিরুল ইসলাম লুকমান
এআইএল/
