গাজা উপত্যকায় টানা বৃষ্টিপাতে আগেই বিপর্যস্ত মানবিক পরিস্থিতি আরও গুরুতর রূপ নিয়েছে। আশ্রয়হীন শিশুদের অনেককে বৃষ্টি ও প্লাবনের মধ্যে ভেজা মাটিতেই রাত কাটাতে বাধ্য হতে হচ্ছে। অনেকে ঠাণ্ডা ও ভেজা আবহাওয়া থেকে বাঁচতে নিজেদের শরীর প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করছে।
পালানোর জায়গার অভাব, জরাজীর্ণ তাঁবু এবং তীব্র ত্রাণ সংকটের কারণে পরিবারগুলো বৃষ্টি ও শীতের কাছে সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুদের দুরবস্থা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এদিকে গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরসহ উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টির পর পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। সড়কগুলো পানিতে ডুবে গেছে, চারদিকে ধ্বংসস্তূপের স্তুপ, আর বাস্তুহারা মানুষ মাথা গোঁজার আশ্রয় খুঁজে বেড়াচ্ছে।
মানবিক সহায়তা সংগঠনগুলো সতর্ক করে জানিয়েছে, শীত ও বৃষ্টিতে রোগের প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যুহার দ্রুত বাড়তে পারে।
অন্যদিকে, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান হামলায় পরিবারগুলো আরও চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পড়েছে। সম্প্রতি একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে পুরো একটি পরিবারের সবাই নিহত হয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজায় মানবিক বিপর্যয় চরমে পৌঁছেছে। যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, খাদ্য ও ওষুধের অভাব— সবকিছু মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন প্রতিদিন আরও দুর্বিসহ হয়ে উঠছে।
সূত্র: ডেইলি জং।
অনুবাদ: আমিরুল ইসলাম লুকমান
এআইএল/
