যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের নিকটবর্তী এলাকায় ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে গুলি করে গুরুতর জখম করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বুধবার (২৬ নভেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুরে এ হামলা ঘটে। খবর—বিবিসি।
ডিসির মেয়র মুরিয়েল বাউসার ঘটনাটিকে ‘পরিকল্পিত হামলা’ বলে মন্তব্য করেছেন। মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, এই গুলিবর্ষণকে “জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়” হিসেবে বিবেচনা করে একাধিক সংস্থা যৌথভাবে তদন্তে নেমেছে।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, হামলাকারীকে “খুব চড়া মূল্য দিতে হবে।”
ডিসি মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা জেফ্রি ক্যারল জানান, হামলাকারী একজনই ছিলেন। তাকে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ করা হয় এবং পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক্স–এ (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে বলেন, তিনি ও তার স্ত্রী জিল ঘটনাটি “মর্মাহত হয়ে অনুসরণ করছেন।” তিনি আরও লিখেছেন, “যেকোনো সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য। এটির বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা আহত সেনা সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি।”
ঘটনার পর বাইডেন সহিংসতার নিন্দা জানালেও তার সমালোচকদের দাবি, প্রেসিডেন্ট থাকার সময় তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহিংসতার ক্ষেত্রে “ইন্ধন জুগিয়েছিলেন”। সমালোচকেরা অভিযোগ করেন, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্র তার প্রশাসনের অধীনে দেশটিকে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছিল।
এই মন্তব্যগুলো রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
টিএইচএ/
