‘ইরানযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটি মেরামতের ব্যয় অনিশ্চিত’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন

by naymurbd1999@gmail.com

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামতে কত খরচ হবে সে বিষয়ে এখনও কোনো নির্দিষ্ট হিসাব নেই । একই সঙ্গে আগামী অর্থবছরের জন্য দফতরের প্রস্তাবিত ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেটেও এই মেরামত ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

বিজ্ঞাপন
banner

পেন্টাগনের বর্তমান বাজেট ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কর্মকর্তা জুলস ‘জে’ হার্স্ট সাংবাদিকদের বলেন, ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে এই ব্যয় রাখা হয়নি। তিনি বলেন, বিষয়টি নির্ভর করছে ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান কেমন হবে তার ওপর।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যতে কী ধরনের সামরিক কাঠামো গড়ে তুলতে চাই, সেটি আগে নির্ধারণ করতে হবে। তার ভিত্তিতেই আমরা বুঝতে পারব কী নির্মাণ করা হবে।’

হার্স্ট জানান, এখনো বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি। তাঁর ভাষায়, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ করা হবে কি না, নাকি অন্যভাবে সামরিক উপস্থিতি পুনর্বিন্যাস করা হবে তার ওপর নির্ভর করবে প্রকৃত ব্যয়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অংশীদার দেশগুলোও এসব নির্মাণে অংশ নিতে পারে। তাই পুনর্গঠনের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো অনুমান এখনই আমাদের নেই।’

এর আগে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আগে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটি ও স্থাপনায় একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় মার্কিন বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানানো হয়।

পেন্টাগনের ওই কর্মকর্তা জানান, ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো মেরামতের জন্য আলাদা বাজেট প্রস্তাব আকারে অর্থ চাওয়া হতে পারে।

এদিকে পেন্টাগন জানিয়েছে, ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট বর্তমান অর্থবছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেশি।

 

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222