ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত শহীদ মিনার এলাকা ঘিরে ফেলে এবং ভাসমান হকারদের সরিয়ে দেয়। পরে বিকেল সোয়া চারটার দিকে বাউল শিল্পী ও ওলি–আউলিয়ার ভক্ত–আশেকানদের আয়োজিত সমাবেশ শুরু হয়, যেখানে মাজারে হামলা ও বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানানো হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা রফিউর রাব্বি, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন, সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ, সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন, সুজনের জেলা সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, বাউল শিল্পী ইউনূস ভান্ডারী, চান মিয়া, ফকির শাহ জালালসহ অনেকে।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসি নাছির আহমদ জানান, সম্ভাব্য যেকোনো উত্তেজনা এড়াতে এবং সমাবেশস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশসহ র্যাব-১১ এর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
টিএইচএ/