নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কায় একটি পক্ষ হতাশ হয়ে পড়ে চোরাগোপ্তা পথে নির্বাচন হাইজ্যাকের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এ ধরনের সব অপচেষ্টা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করা হবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে যখন জুলাই আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তখন সত্য আড়াল করতে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তার অভিযোগ, একই কৌশল এখন নির্বাচন কমিশনও অনুসরণ করছে। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ মিটারের মধ্যে ক্যামেরা নেওয়া নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত এরই প্রমাণ।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে এই বিধিনিষেধ প্রত্যাহার না করা হলে যারা নির্বাচন ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
জামায়াত আমির আরও বলেন, একটি মহল নিশ্চিত পরাজয়ের ভয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে। সেই হতাশা থেকেই তারা গোপন পথে নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তবে তাদের সব ধরনের অপকর্ম প্রতিহত করা হবে বলে তিনি জানান।
মোহাম্মদপুর এলাকায় মাদক ও অস্ত্রের বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে বিপথগামী সন্তানদের সুপথে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। দেশের মানুষ আগেও তাদের কার্যক্রম দেখেছে।
সরকারি আমলা ও সচিবদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা এখনও দলীয় পক্ষপাতিত্ব করে পছন্দের প্রার্থীদের বিজয়ী করার চেষ্টা করছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড করলে এবার আর ক্ষমা করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।
টিএইচএ/
