হাঁস নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা

by amirulislamluqman20@gmail.com

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা।

‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪টি ভোট।

বিজ্ঞাপন
banner

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রুমিন ফারহানা তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাড়িতে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। সেখানে তিনি প্রতীক হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার কারণ উল্লেখ করেন এবং তার বেড়ে ওঠার গল্পও করেন।

‘আমার জার্নিটা কঠিন ছিল। কিন্তু আমার চেয়েও কঠিন জার্নি ছিল আমার নেতাকর্মীদের। আমি যদি আজকে না জিততাম, আমায় হয়তো আবার ঢাকায় ফিরে যেতে হতো। আমি আমার পেশায় ফিরে যেতাম। আমার এতগুলো কর্মী, সবাই বহিষ্কার হয়ে গেছে। এই ১৭টা বছর তারা এত কষ্ট করেছে, এত শ্রম দিয়েছে, তারা ঘরে ঘুমাতে পারে নাই। তারা কেউ কষ্ট রাখে নাই মনে। সবাই খুশি। এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করবো আমি?’

এসময় তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল দুপুরের পর বিভিন্ন জায়গায় দুপুরের পর ভোট ছাপানোর চেষ্টা হয়েছে। ফলাফল আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি দলীয় প্রার্থী না। আমার যদি এলাকায় আরেকবার নির্বাচন করতে হয়, কাজ করা ছাড়া আমার হাতে আর কোনো অপশন নাই। আমার নিজেকে টিকে থাকতে হলে কাজ করতেই হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার অনেক হাঁস ছিল, মোরগ ছিল, কবুতর ছিল। আম্মুর বড় চাকরির সুবাদে আমরা বড় বড় বাসায় থাকতাম। এরপর তো আমরা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে চলে গেলাম। তখন এই হাঁস-টাঁস পালা হলো না…কিন্তু এখানে (ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে) আমার হাঁস-মুরগি অনেক কিছু আছে। ওদের সাথেই আমার অবসর সময় কাটে।’

হাঁসের সাথে তার এই স্মৃতি-অভ্যাসের কারণেই তিনি হাঁসকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছেন বলে জানান।

এআইএল/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222