কিডনিতে পাথর হওয়া শরীরের অন্যতম যন্ত্রণাদায়ক একটি সমস্যা। প্রস্রাবের খনিজ ও লবণ জমে শক্ত হয়ে স্ফটিকের মতো তৈরি হলে তাকেই কিডনিতে পাথর বলা হয়। এই ঝুঁকি কমাতে আমাদের জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি।
এর কারণ হলো:-
পানিশূন্যতা: শরীর হাইড্রেটেড না থাকলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায় এবং খনিজগুলো জমাট বেঁধে পাথর তৈরি করে।
মানসিক চাপ: অতিরিক্ত চাপে থাকলে শরীরে কর্টিসল হরমোন বাড়ে, যা প্রস্রাবে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া চাপের সময় আমরা পানি কম পান করি বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাই, যা ঝুঁকি বাড়ায়।
ভুল খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত লবণ, লাল মাংস, চিনি ও অক্সালেটযুক্ত (যেমন পালং শাক, চকোলেট) খাবার বেশি খাওয়া।
বংশগত বা রোগজনিত কারণ: অনেক সময় জেনেটিক বা প্রস্রাবের সংক্রমণের কারণেও পাথর হতে পারে।
প্রতিরোধের উপায়
প্রচুর পানি পান করুন: প্রস্রাব পাতলা রাখতে সারাদিনে পর্যাপ্ত জল খান। শসা বা তরমুজের মতো জলীয় ফল খাদ্যতালিকায় রাখুন।
মানসিক চাপ কমান: নিয়মিত যোগব্যায়াম, ধ্যান বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন।
সুষম খাবার: অতিরিক্ত লবণ ও মাংস কমিয়ে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার (দুগ্ধজাত দ্রব্য) খান।
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। একবার পাথর হলে তা বারবার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই সঠিক জীবনযাত্রা মেনে চলা জরুরি।
এনআর/
