জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি, ঢাকা গাউসিয়া মার্কেট জামে মসজিদের খতীব ও মারকাযুল উলূম খুলনার মুহতামিম মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া বলেেছন, রমাযানের শেষ দশকের ইতেকাফের ফযিলত অত্যন্ত মহান ও বরকতময়। এ সময় বান্দা দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে কিছুটা দূরে সরে আল্লাহর ইবাদতে নিজেকে নিবিষ্ট রেখে সব গোনাহ থেকে তওবা করে আল্লাহর প্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে থাকে।’
জাতীয় ইমাম পরিষদ সভাপতি ঢাকা গাউসিয়া মার্কেট জামে মসজিদে শেষ দশকের ই’তিকাফরত অবস্থায় গতকাল (১৫ মার্চ ২০২৬) রবিবার, ঢাকার একঝাঁক ওলামায়ে কেরাম তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতে আসলে সকলের উদ্দেশ্যে তিনি এসব নসিহত করেন।
তিনি আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে প্রতি রমাযানের শেষ দশকে ই’তেকাফ করতেন, যা এর গুরুত্বের বড় প্রমাণ। ইতেকাফ মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ককে গভীর করে।
এ সময় বেশি বেশি নামায, তিলাওয়াত, যিকির, দু‘আ ও ইস্তিগফারের সুযোগ হয়।
রমাযানের শেষ দশকেই লাইলাতুল কদর থাকার সম্ভাবনা বেশি, তাই ই’তেকাফ হলো সেই মহান রাত পাওয়ার উত্তম উপায়।
ই’তেকাফ গুনাহ থেকে দূরে থাকতে এবং নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। এটি ঈমানকে মজবুত করে এবং আখিরাতমুখী জীবন গঠনে প্রেরণা জোগায়। তাই রমাযানের শেষ দশকের ই’তেকাফ একজন মুমিনের জন্য অমূল্য ইবাদত ও মহা সওয়াবের সুযোগ।
ওলামায়ে কেরামের সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা কারী সিদ্দিকুর রহমান, মুফতী ফয়জুল্লাহ মুখতার, মুফতী সাইফুল্লাহ নোমানী, মাওলানা ইসমাইল হাবিবী, মাওলানা কামাল উদ্দিন নোমানী, মাওলানা আব্দুল হাকিম, মুফতী জাকির বিল্লাহ, মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ খান, মাওলানা মমিনুল ইসলাম, হাফেজ আব্দুল্লাহ আল নোমান প্রমুখ।
