পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র দুই দিন বাকি। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে কুরবানির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আর এ কারণে পশুর হাটগুলোতে চলছে ব্যাপক কেনাকাটা।
কুরবানি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। হাদিসে কুরবানির ফজিলত ও তাৎপর্য সম্পর্কে বহু বর্ণনা রয়েছে। সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব বলে উল্লেখ করা হয়েছে, আর রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও নিয়মিত কুরবানি করেছেন।
হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর ত্যাগের স্মৃতিকে কেন্দ্র করেই কুরবানির এই ইবাদতের প্রচলন। তার মহান আত্মত্যাগের ঘটনা মুসলমানদের জন্য আজও অনুসরণীয়।
ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, গরু, মহিষ, উট, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা—এই পশুগুলো দিয়েই কুরবানি করা জায়েজ। ছাগল, ভেড়া ও দুম্বার বয়স অন্তত এক বছর হতে হবে। গরু ও মহিষের ক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই বছর এবং উটের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর বয়স নির্ধারিত।
তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। যেমন, ভেড়া বা দুম্বা যদি ছয় মাস বয়সেই এমনভাবে হৃষ্টপুষ্ট হয় যে দেখতে এক বছরের মতো মনে হয়, তবে সেটি দিয়েও কুরবানি করা যায়।
পশু কেনার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে পশুটি যেন সুস্থ ও সবল হয়। খুব দুর্বল বা হাড়ের মজ্জা শুকিয়ে গেছে এমন পশু দিয়ে কুরবানি গ্রহণযোগ্য নয়। একইভাবে, চলাফেরায় অক্ষম বা গুরুতর আহত পশুও কুরবানির জন্য বৈধ নয়।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, মোটা-তাজা ও সুস্থ পশু দিয়ে কুরবানি করা উত্তম বলে বিবেচিত হয়।
হাআমা/
