হজযাত্রীদের যাত্রা ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজতর করতে টানা অষ্টম বছরের মতো ‘রুট টু মক্কা’ ইনিশিয়েটিভ অব্যাহত রেখেছে সৌদি আরব। চলতি বছর এই সেবার আওতা আরও বাড়িয়ে ১০টি দেশের ১৭টি বিমানবন্দরে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর বাংলাদেশ ছাড়াও মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক, আইভরি কোস্ট এবং মালদ্বীপের হজযাত্রীরা এই সুবিধা পাবেন। এছাড়া প্রথমবারের মতো সেনেগাল এবং ব্রুনাই দারুসসালামকেও এই বিশেষ কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ মূলত সৌদি ভিশন ২০৩০-এর ‘পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর একটি অংশ। এই বিশেষ ব্যবস্থার ফলে হজযাত্রীরা নিজ দেশের বিমানবন্দর থেকেই সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। এর ফলে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা না করে যাত্রীরা সরাসরি বাসে করে তাদের নির্ধারিত হোটেলে চলে যেতে পারেন। ইমিগ্রেশনের পাশাপাশি এই সেবার অধীনে রয়েছে উন্নত ডিজিটাল লাগেজ ম্যানেজমেন্ট। হজযাত্রীরা নিজ দেশে লাগেজ জমা দেওয়ার পর সেগুলো সরাসরি তাদের হোটেলের কক্ষে পৌঁছে দেওয়া হয়। ২০১৭ সালে ইন্দোনেশিয়ায় পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১ কোটি ২৫ লাখেরও বেশি হজযাত্রী এই সুবিধার আওতায় এসেছেন।
বাংলাদেশে ২০২২ সাল থেকে এই কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এবারের হজ মৌসুমেও বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন, বোর্ডিং এবং চেক-ইন প্রক্রিয়া আশকোণা হজ ক্যাম্পে সম্পন্ন করা হবে। আর সৌদি আরব অংশের প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন হবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। উল্লেখ্য, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাচ্ছেন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।
টিএইচএ/
