ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ দলের নিয়মিত বৈঠকে বলেছেন, পশ্চিমবাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এসে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার সিদ্ধান্ত যেভাবে ঘোষণা দিয়েছে তাতে নিরাপত্তার চেয়ে রাজনীতি বেশি। তথাপিও আমরা মনে করি, ভারত তাদের সীমান্তে কি করবে না করবে তা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু বাংলাদেশ সীমান্তে কোন ধরণের বর্বরতা করা যাবে না। পরিবর্তিত বাংলাদেশ সীমান্তে কোন বাংলাদেশি নাগরিক হত্যাকে আর মেনে নেবে না।
মঙ্গলবার (১২ মে) পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের নিয়মিত বৈঠকে অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ এই মন্তব্য করেন।
তিনি আরো যোগ করেন, একই ভাষাভাষি দুইটি প্রতিবেশি দেশের মধ্যকার সীমান্তে আইনের ফাঁক গলে নানা কর্মকাণ্ড হয়; উভয় দেশের নাগরিকরাই এসবের সাথে জড়িত থাকে। এসব কর্মকাণ্ডের আর্থিক দিকে বিবেচনায় বাংলাদেশের ক্ষতিই বেশি। আমাদের সাহসী সীমান্তরক্ষী বাহিনী সীমান্ত রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরী হয়ে সীমানা পাহারা দেয়। এই ক্ষেত্রে বিএসএফও যদি ইতিবাচক ভূমিকা রাখে তাহলে সীমান্ত নিরাপদ হবে। কিন্তু বিএসএফের অতীতের আচরণ আমাদেরকে ক্ষুদ্ধ করেছে। পশ্চিমবাংলায় বিজেপির ক্ষমতাগ্রহণের পরে পরিস্থিতির উন্নতি আশা করছি এবং অবনতি হলে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করছি।
বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব হারুন অর রশীদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মুজাহিদ, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা খলিলুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল কাশেম, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী শেখ মুহাম্মদ নুরুন্নবী, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা এম হাছিবুল ইসলাম, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম রুহুল আমীন, ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আরিফুল ইসলাম, সহ-প্রচার ও দাওয়াহ্ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ।
হাআমা/
