আজ প্রখ্যাত দার্শনিক, প্রজ্ঞাবান মহান মুজাহিদ, অসাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন সংগ্রামী প্রফেসর ড. ইসমাইল রাজী আল ফারুকীর শাহাদাত বার্ষিকী।
গত শতকে ইসলামী জ্ঞানকাণ্ডে প্রফেসর ফারুকী এতবেশি প্রাণরস সঞ্জীবিত করেছেন যে তাকে আলাদা করে মূল্যায়ন করা কঠিন। বিশেষত জ্ঞানের ইসলামীকরণ আন্দোলন গত শতকের মুসলিম মানসকে প্রভাবিত করেছিলো শক্তিশালীভাবে।
ড. আল ফারুকীর অনালোচিত আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো ‘আত তাওহীদ’ পরিভাষাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে সামগ্রিক ক্ষেত্রে প্রায়োগিক অবস্থানে পৌছে দেয়া। রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, মেটাফিজিক্স, নন্দনতত্ত্ব, আখলাক, শিল্পকলা, পররাষ্ট্রনীতি, আন্তর্জাতিক আইনসহ সকল বিষয়কে তিনি সুচারুরূপে ব্যাখ্যা করেছিলেন তাওহীদের আলোকে।
জ্ঞানজগত ও ময়দানের উভয় ক্ষেত্রে নিরলস কর্ষণ চালিয়ে উম্মাহর মানসকে উদ্দীপ্ত ও আন্দোলন করেছিলেন গত শতকের প্রখ্যাত দার্শনিক ও মহান মুজাহিদ ইসমাঈল রাজী আল ফারুকী।
বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে শঠ পাশ্চাত্য চিরকাল-ই এধরণের ব্যক্তিত্বগণকে সহ্য করতে পারেনি। তাই তাকে এবং তার স্ত্রী ড. লামিয়া আল ফারুকী (তিনিও একজন প্রখ্যাত স্কলার) নির্মমভাবে ১৯৮৬ সালের ২৭মে শহীদ করা হয়।
আল্লাহ মহান এই দার্শনিককে জান্নাতে সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন এবং আমাদের মাঝ থেকে যুগের ইসমাঈল রাজী আল ফারুকীদের তৈরি করে দিন।
এনএ/
