হাসান আল মাহমুদ >>
দেশের সর্ববৃহৎ দ্বীনি বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসায় গতকাল শনিবার ‘ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত জশনে জুলুস’ পালনকারী বিদআতি সম্প্রদায় কর্তৃক হামলায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন ইসলামি সংগঠন গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনগুলো পৃথক বিবৃতিতে প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে চিহ্নিত হামলাকারী ও উস্কানিদাতাদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। সংগঠনগুলোর পৃথক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, উম্মুল মাদারিস দারুল উলুম হাটহাজারী দেশের সর্ববৃহৎ দ্বীনি বিদ্যাপীঠ। এমন প্রতিষ্ঠানে ফ্যাসিবাদের দোসর বিদআতিদের হামলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। সরকারকে হামলাকারী ও উস্কানিদাতাদের দ্রুত গ্রেফতার করার আহ্বান জানান তারা।
হেফাজতে ইসলামের বিবৃতি
হাটহাজারী মাদরাসায় আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর নামধারী সুন্নীদের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, ‘আমরা উম্মুল মাদারিস দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী ও চারিয়া মাদরাসায় গত রাতে ফ্যাসিবাদের দোসর সুন্নী নামধারীদের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ মাদরাসায় হামলা মানে দেশের সব কওমি মাদরাসায় হামলার শামিল, যা বরদাশত করা হবে না। এছাড়া আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-আন্দোলনের পথিকৃৎ ও অন্যতম জুলাই শক্তি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর প্রধান দপ্তরও এই মাদরাসায়। ফলে এই ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ কওমি মাদরাসাটি আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ইন্ডিয়ান আধিপত্যবাদের হামলার নিশানায় পরিণত হয়েছে। গতকাল কথিত জশনে জুলুসকে উপলক্ষ করে ফ্যাসিস্ট লীগের মদদে এবং পুলিশের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিষ্ক্রিয় ভূমিকার সুযোগে হাটহাজারী মাদরাসায় গভীর রাত পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলা চালায় একদল নামধারী সুন্নীরা।’
তাঁরা আরও বলেন, ‘আওয়ামী দোসর সুন্নী সন্ত্রাসীদের হামলায় হাটহাজারী মাদরাসার প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন এবং অনেককে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে পাঠাতে হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কারা ভিকটিম তা বোঝার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া, একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট মসজিদের উদ্দেশে সুন্নী সন্ত্রাসীদের অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও গালিগালাজ এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কটু মন্তব্য ও পাথর ছুঁড়ে উসকানিমূলক আচরণ কোনোভাবেই রাসূল (সা.)-এর শিক্ষা হতে পারে না। আমরা এসবেরও তীব্র নিন্দা জানাই।’
হেফাজতের শীর্ষ নেতারা আরও বলেন, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারত। আমাদের ছাত্ররা একতরফা আহত হলেও আমরা আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে বাড়তি রক্তপাত ও সংঘাত এড়াতে ধৈর্য ও স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অবিলম্বে চিহ্নিত উসকানিদাতা ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তাঁরা ২০১৩ সালের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলাম যখন রাসূল (সা.)-এর নামে কটূক্তিকারী ব্লগারদের বিচার দাবিতে গণ-আন্দোলন শুরু করেছিল, তখন আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর এই জিঘাংসু ‘সুন্নী’রা হেফাজতের আন্দোলনের বিরুদ্ধে সমাবেশ করে ঘৃণা উগরে দিয়েছিল। এরা নিজেদের বড় ‘নবীপ্রেমিক’ দাবি করেন, অথচ যখন আমরা রাসূল (সা.)-এর সম্মান রক্ষায় শাহাদাতের রক্তে রাজপথ রঙিন করছিলাম, তখন তারা বসে বসে আমাদের রক্ত দেখে হেসেছিল। আল্লাহ তাদের দ্বীনের সঠিক বোধ ও হেদায়েত দান করুন, আমীন।”
জামায়াতে ইসলামের নিন্দা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘৬ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাত ৮টার দিকে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত জশনে জুলুসের র্যালি হাটহাজারী মাদরাসার সামনে দিয়ে যাওয়ার পথে আরিয়ান ইব্রাহিম নামে এক যুবক মসজিদ ও মাদরাসার দিকে আঙুল তুলে অশোভন অঙ্গভঙ্গি করে এবং তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এই আপত্তিকর ঘটনায় মাদ্রাসার ছাত্ররা সংক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানালে সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর নৃশংস হামলা চালায়। এই বর্বরোচিত হামলায় হাটহাজারী মাদ্রাসার শতাধিক ছাত্র গুরুতরভাবে আহত হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘হাটহাজারী মাদ্রাসা দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহত্তম দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। সেখানে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ এবং স্পষ্ট উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড। মসজিদ ও মাদ্রাসার মতো ধর্মীয় পবিত্র স্থানে অবমাননা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এগুলো মুসলমানদের ঈমান ও আক্বিদার সাথে সম্পৃক্ত। তাই প্রত্যেকের দায়িত্ব ধর্মীয় পবিত্র স্থানসমূহকে যথাযথ সম্মান জানানো।’
অধ্যাপক পরওয়ার বলেন, ‘এ ধরনের হামলা দেশ ও সমাজে বিভেদ ও সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়ার অশুভ প্রচেষ্টা। অথচ ইসলামের শিক্ষা হলো শান্তি, সংযম ও সহনশীলতা। আমি সন্ত্রাসী হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহ্বান জানাচ্ছি।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া
সংগঠনটির যুগ্মমহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মবার্ষিকি মানবতার জন্য একটি শুভ সূচনা। আমরা এইদিনের আনন্দে উদ্বেলিত। কিন্তু পালন করার রীতি ও প্রথা কি হবে তা নিয়ে নানা মতভেদ আছে। একই রকমভাবে ইসলামে এর ব্যাখ্যা নিয়েও নানামত আছে। কিন্তু সেগুলোকে কেন্দ্র করে উম্মাহর মধ্যে ফাটল তৈরি করা এবং উম্মাহর একটা অংশকে শক্র জ্ঞান করার মতো যে মানসিকতা তৈরি হয় তা ভয়ংকর একই সাথে ইসলামের চেতনা বহির্ভূত। গতকাল হাটহাজারী মাদরাসার ওপরে যেভাবে হামলা করা হয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ইসলাম প্রসারে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদ উৎখাতে হাটহাজারী মাদরাসার অবদান শীর্ষে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার সবচেয়ে রক্তময় নজরানা হাটহাজারী মাদরাসার নেতৃত্বেই পেশ করা হয়েছে। সেই হাটহাজারী মাদরাসার প্রতি যে কটাক্ষ ও যে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা হয়েছে এবং যে মানসিকতা থেকে করা হয়েছে তা ঘৃণ্য অপরাধ। বাংলাদেশের একটা শ্রেণী অব্যাহতভাবে দেশের প্রধান ইসলামী চিন্তাধারার প্রতি নানারকম বিদ্বেষ ছড়িয়েই যাচ্ছে। তারই একটি সহিংস প্রতিক্রিয়া হলো হাটহাজারী মাদরাসার ওপরে হামলা করা।’
তিনি আরও সতর্ক করেন, ‘বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বহুমাত্রিক চক্রান্ত চলমান। ধর্মীয় মতপার্থক্য কেন্দ্রীক সংঘাত তৈরি করা তারই একটা অংশ হতে পারে। ফ্যাসিবাদ দেশকে অস্থির করতে এবং দেশকে অকার্যকর করতে এই ধরণের উত্তেজনার সুযোগ নিতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট সকলকে এই বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান করছি।’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘হাটহাজারী মাদ্রাসা শুধু চট্টগ্রাম নয়, সমগ্র বাংলাদেশে ইসলামী শিক্ষা, ঐতিহ্য ও আন্দোলনের অগ্রণী কেন্দ্র। বিগত ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিটি অন্যায়, অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে এ মাদ্রাসার অবদান সর্বজনবিদিত। এমন একটি ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানে ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনায় শতাধিক ছাত্র আহত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।’
তাঁরা আরও বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি—এই হামলাকারীদের সুস্পষ্ট রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। তাদের কার্যকলাপ ছিল পরিকল্পিত উস্কানি ছাড়া কিছুই নয়। মসজিদ-মাদ্রাসা ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠানসমূহে আঘাত করা মানে দেশের মুসলমানদের ঈমানি আবেগকে আহত করা। এটি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা নয়, বরং জাতির আত্মপরিচয়ের ওপর আঘাত।’
ইসলামী ঐক্যজোটের নিন্দা
চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল কাদের ও মহাসচিব মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন রাজী।
আজ রোববার বিকেলে এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, হাটহাজারী মাদরাসা দেশের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানে ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলা শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা নয়; বরং মুসলিম জাতির আত্মপরিচয় ও ঈমানি চেতনার ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে আরও বলেন, হাটহাজারী মাদরাসা শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; বরং ইসলামী শিক্ষা, ঐতিহ্য ও আন্দোলনের কেন্দ্র। এই মাদ্রাসায় হামলা করে ফ্যাসিবাদের দোসর মাজার পুজারী চক্র পুরো দেশের মুসলমানদের ঈমানি আবেগকে আহত করেছে। এই হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে।”
সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে নেতৃদ্বয় বলেন,ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলা বরদাশত করা হবে না। হামলাকারী ও উসকানিদাতাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আহত মাদরাসা ছাত্রদের যথাযথ চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাফিলতি তদন্ত করে দায়ী সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ভবিষ্যতে কথিত জুলুস বা মাজারকেন্দ্রিক গাড়িবহরে যেন মাদরাসা এলাকায় প্রবেশ না করতে পারে—এ বিষয়ে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মাওলানা আবদুল কাদের ও মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন রাজী আহত ছাত্রদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। একই সঙ্গে সমাজের সর্বস্তরের জনসাধারণকে হাটহাজারী মাদরাসাসহ সকল দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে অরাজকতা ও বিভেদ সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে এবং সমাজে শান্তি-সৌহার্দ্য রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
খেলাফত মজলিসের বিবৃতি
খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ‘সুন্নী নামধারী কতিপয় সন্ত্রাসীর হামলায় দেড় শতাধিক মাদরাসা ছাত্র আহত হয়। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। সুন্নী মতাদর্শীদের আয়োজিত জশনে জুলুসে অংশগ্রহণকারী এক যুবক কর্তৃক ফেসবুকে দেওয়া একটি ছবি সহ উস্কানীমূলক পোস্টের জের ধরে যে ভয়াবহ হামলা ও রক্তাক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
তাঁরা বলেন, ‘প্রশাসন উস্কানীদাতাকে গ্রেফতার করলেও আমরা সন্ত্রাসী সবাইকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। বড় ধরণের বিকৃতি না ঘটে থাকলে শুধুমাত্র মতাদর্শগত সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে এদেশের মুসলিম সমাজ পারস্পরিক সহাবস্থান করে আসছে যুগ যুগ ধরে। সেই সহাবস্থানকে হঠাৎ করে উস্কে দিয়ে পরস্পর মারমুখী করে তুলে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। আমরা প্রশাসন সহ দেশবাসীকে এই ব্যাপারে আরো সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
হাআমা/
