ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে গ্রিসে পৌঁছে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেছেন অধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। তিনি বলেন, সবার চোখের সামনে গাজায় গণহত্যা চলছে।
গাজাগামী নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার আরো যাত্রীদের সাথে আটক হয়েছিলেন থুনবার্গ। পরে সোমবার থুনবার্গসহ অধিকারকর্মীদের একটি দলকে গ্রিসে পাঠিয়ে দেয় ইসরাইল।
এথেন্স আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেটাসহ অন্য অধিকারকর্মীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান তাদের সমর্থকেরা। সে সময় অনেকের হাতেই ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা।
থুনবার্গ এথেন্সের এলিফথেরিওস ভেনিজেলোস বিমানবন্দরে তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
থুনবার্গ বলেন, ‘আমি কারাগারে আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার এবং নির্যাতন সম্পর্কে অনেকক্ষণ কথা বলতে পারতাম, বিশ্বাস করুন। কিন্তু প্রকৃত গল্প সেটা নয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই: আমাদের চোখের সামনেই একটি গণহত্যা চলছে, এটি সরাসরি সম্প্রচারিত গণহত্যা।’
তিনি আরো বলেন, ‘কী ঘটছে তা জানি না, এমন অজুহাত কেউ দিতে পারবেন না। ভবিষ্যতেও কেউ বলতে পারবে না যে আমরা জানতাম না।’
থুনবার্গ ইসরাইলকে অভিযুক্ত করে বলেন, ‘তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে, সবার চোখের সামনে একটি সম্পূর্ণ জনগোষ্ঠী, একটি পুরো জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি কখনই বুঝতে পারি না যে মানুষ কীভাবে এত খারাপ হতে পারে। দশকের পর দশক ধরে নিপীড়ন এবং বর্ণবাদের ধারাবাহিকতায় ইচ্ছাকৃতভাবে লাখ লাখ মানুষকে অবৈধভাবে অবরোধ দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে, তাদের অনাহারে রাখা হচ্ছে।’
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
এআইএল/
