ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, ইতিহাসে ফেরাউন, নমরুদ ও রেজা শাহের সঙ্গে যা ঘটেছিল, একই পরিণতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও অপেক্ষা করছে।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, অহংকারে আচ্ছন্ন একজন ব্যক্তি আজ পুরো বিশ্বের ভাগ্য নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছে। ক্ষমতার শীর্ষে থাকা শাসকদের শেষ পরিণতি থেকে তার শিক্ষা নেওয়া উচিত।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান দেশটিতে চলমান সহিংসতার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন। ইরানি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জনগণকে উসকানি দিচ্ছে- বলছে আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি, যাও নাশকতা চালাও। এরাই সেই শক্তি, যারা ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো বিদেশি শক্তিকে আমরা জাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির সুযোগ দেব না। দেশের ঐক্য ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আলোচনায় বসতে আগ্রহী। তিনি বলেন, আলোচনার জন্য বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ‘খুব শক্তিশালী বিকল্প’ বিবেচনায় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অপরদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার খবরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, আশা করা যায় ইরানি সরকার ও জনগণ বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে এবং দেশের স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।
এদিকে জাতিসংঘ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এর নিন্দা জানিয়েছে।
সূত্র: ডেইলি জং।
অনুবাদ: আমিরুল ইসলাম লুকমান
এআইএল/
