বগুড়ার আদমদীঘিতে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে দুই বন্ধু পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের বড়আখিড়া মন্ডলপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। গ্রেফতাররা হলো- আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের বড়আখিড়া মন্ডলপাড়া গ্রামের নেপাল চন্দ্র সরকারের ছেলে শিপন কুমার সরকার ও একই গ্রামের সত্য নাথের ছেলে সজল দাস সঞ্জয়।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে থানায় মামলা করলে পুলিশ জড়িত দুই বন্ধুকে গ্রেফতার করে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকালে আদমদীঘি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহীদুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্র জানায়, ওই ছাত্রী ৯ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিলো। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সজল দাস সঞ্জয় ছাত্রীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন শিপন কুমার সরকার। এরপর দুই বন্ধু ছাত্রীকে একটি ঘরে নিয়ে মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় ধর্ষণের ছবি তোলা হয়। এ ঘটনা কাউকে বললে তাকে হত্যা ও ধারণ করা ছবি ফেসবুক এবং টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ধর্ষণের শিকার ছাত্রী বাড়িতে ফিরে ভয়ে ধর্ষণের কথা গোপন রাখে।
একপর্যায়ে রবিবার সন্ধ্যার দিকে পরিবারের সদস্যদের অবহিত করে। রাতেই ছাত্রীর মা আদমদীঘি থানায় সজল দাস সঞ্জয় ও তার বন্ধু শিপন কুমার সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলা নিয়ে পুলিশ রাতেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে।
সোমবার বিকালে আদমদীঘি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহীদুল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার দুই আসামি ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি রেকর্ডের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ও জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এমএআর/
