ভোলা-৪ (মনপুরা ও চরফ্যাশন) আসনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী একেএম কামাল হোসেনের মেয়ে মারিয়া কামালের ওপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ভোলা-৪ (মনপুরা ও চরফ্যাশন) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী একেএম কামাল হোসেনের মেয়ে মারিয়া কামালের ওপরে দাঁড়িপাল্লার কর্মীরা যে বর্বরোচিত হামলা করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর রাখতে এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে বলেন, আজ ২৮ জানুয়ারি, বুধবার সকাল ৯টা-সাড়ে ৯টার দিকে মারিয়া কামালের নেতৃত্বে ৫-৭ জনের একটি নারী দল পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে দাওয়াতি কাজ করছিলেন। প্রার্থীর ছেলে মুহাম্মাদ তাহজিব ও জেলা যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ সঙ্গে ছিলেন। দাওয়াতি কাজের এক পর্যায়ে মো. সোহেল হাওলাদার, পিতা-ফজলুল হক হাওলাদার ও আলাউদ্দিন, পিতা-জাকির নামীয় দুই ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামী ও দাঁড়িপাল্লার পক্ষ হয়ে বাধা প্রদান করে এবং প্রার্থীর ছেলে তাহজিব ও জেলা যুব আন্দোলনের সেক্রেটারিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। একপর্যায়ে প্রার্থীর মেয়ে মারিয়া কামালকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরনের আচরণ কোনোভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না। বিশেষ করে ইসলাম নামধারী একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরনের আচরণ আমাদেরকে বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ করেছে। আমরা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাব, অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করুন।
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনুন। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে বলব, আপনাদের কর্মীরা একজন নারীর গায়ে হাত তোলার সাহস ও শিক্ষা কোথা থেকে পায়? এই ধরনের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য আপনারাই দায়ী থাকবেন।
এআইএল/
