ভারতে মুসলমানদের উপর দীর্ঘদিন ধরে চলমান ধারাবাহিক নির্যাতন, মসজিদ-মাদরাসায় হামলা এবং মুসলিম নারী-পুরুষের জানমাল ও ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর আঘাত মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ ও আসামসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের নাগরিক অধিকার হরণ এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি, ঢাকা গাউসিয়া মার্কেট জামে মসজিদের খতীব ও মারকাযুল উলূম খুলনার মুহতামিম মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া।
রবিবার বাদ মাগরিব মারকাযুল উলূম খুলনায় উলামায়ে কেরামের এক বৈঠকে তিনি বলেন, এ ঘটনায় মুসলিম বিশ্ব আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ধর্মীয় বিদ্বেষ ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হুমকি কখনো গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ভাষা হতে পারে না।
ইমাম পরিষদ সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, “রাজনীতির নামে কোনো সম্প্রদায়কে টার্গেট করে ভয়ভীতি, দমন-পীড়ন কিংবা ঘৃণার রাজনীতি কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। মুসলমানসহ সকল ধর্মের মানুষের নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “ভারত উপমহাদেশ বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির মিলনভূমি। সেখানে সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য হুমকি।”
অবিলম্বে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক বক্তব্যসহ সকল জুলুম নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারকেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এসময় বিভিন্ন আলেম, ইমাম ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারাও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
হাআমা/
