৩৬ নিউজ ডেস্ক: দেশের ইলমী অঙ্গনে বহু প্রতিভাবান আলেম-উলামা ও পেশাজীবী থাকলেও তাদের যোগ্যতা অনেক সময় যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয় না। তবে মুফতি আবদুল মালিক ইতোমধ্যেই তাঁর গভীর ইলম, তাকওয়া ও পরহেজগারির মাধ্যমে দেশের আলেম-উলামা এবং সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তাঁর সুনাম ও পরিচিতি রয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) এক ফেসবুক পোস্টে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী এসব কথা বলেন।
মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের খতিব হিসেবে মুফতি আবদুল মালিককে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রশংসার দাবিদার। তিনি জাতীয় মসজিদ বা জাতীয় ঈদগাহের খতিব না হলেও তাঁর ইলমী ও আধ্যাত্মিক মর্যাদার কোনো ঘাটতি হতো না। বরং তাঁর ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতাই তাঁকে একটি উচ্চ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিভিন্ন বিষয়ে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় মসজিদের খতিব হিসেবে মুফতি আব্দুল মালেকের নিয়োগ একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ঈদুল ফিতরের এক ঘটনার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি দায়িত্বশীল ও প্রজ্ঞাপূর্ণ দাওয়াতি ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে মুফতি আব্দুল মালেকের কৌশল ও সাহস প্রশংসনীয়। অনেকেই ক্ষমতাসীনদের প্রশংসায় ব্যস্ত থাকলেও যথাযথ সময়ে সুন্দর পদ্ধতিতে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার যোগ্যতা খুব কম মানুষের মধ্যেই দেখা যায়। পরিশেষে তিনি মুফতি আবদুল মালিকের ইলমী ও দাওয়াতি খেদমতের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে তাঁর জন্য বিশেষ দোয়া করেন।
টিএইচএ/
