লাবীব আব্দুল্লাহ :: ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ-এর আব্বা ছিলেন প্রখ্যাত মুহাদ্দিস। তাঁর পিতা মাওলানা মমতাজ উদ্দীন আহমদ (রহ.) ছিলেন ‘ফখরুল মুহাদ্দিসীন’। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যখন কাব্যে ‘আমপারা’ অনুবাদ করছিলেন, তখন তিনি কবিকে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। মাওলানা মমতাজ উদ্দীন একাধারে আরবী, উর্দু ও ফার্সী ভাষায় অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। হাদীস, তাফসীর ও আরবী সাহিত্যে তিনি ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থও রচনা করেছেন।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
১. নিয়ামাতুল মুনঈম আলা শারহি মুকাদ্দামাতি সহীহ মুসলিম
২. আল-কাওকাবুদ দুররী ফী শারহি মুকাদ্দামাতিল মিশকাত লিশ-শায়খ আদ-দেহলভী
৩. হাল্লুল উকদাত ফী শারহিল মু’আল্লাকাত
৪. কাশফুল মাআনী ফী শারহি মাকামাতি বাদীউযযামান আল-হামদানী
৫. মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার ইতিহাস
তিনি ১৯১৯ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত প্রথমে কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসা এবং পরবর্তীতে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় অধ্যাপনা করেন। ১৮৮৬ সালে নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জের মানিকপুর গ্রামে তাঁর জন্ম এবং ১৯৭৪ সালের ৭ জুলাই তিনি ইন্তেকাল করেন।
অন্যদিকে, তাঁর সুপুত্র ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি ও আইনমন্ত্রী। তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ আইনবিদ।
তাহলে দেখা যাচ্ছে আলেমের দ্বিতীয় প্রজন্মে এসেছেন ব্যারিস্টার।
কিন্তু তৃতীয় প্রজন্মে কী হবে?
বিষয়টি আসলেই গভীর গবেষণার দাবি রাখে।
লেখক :: পরিচালক, ইবনে খালদুন ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহ।
