সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের পর তার শেষ চিঠি নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন মা ফিরোজা খানম।
তিনি দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া চিঠির লেখার সঙ্গে তার মেয়ের হাতের লেখার কোনো মিল নেই; মরিয়মের হাতের লেখা এর চেয়ে খারাপ ছিল। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে স্বাভাবিক আত্মহত্যা মানতে নারাজ হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মরিয়মের মা এই চাঞ্চল্যকর দাবি তোলেন। সেখানে উদ্ধার হওয়া চিঠির অনুলিপি দেখে তিনি জানান, ‘ওর হাতের লেখা এমন নয়, ওর লেখা এর চেয়ে খারাপ। চিঠিতে দুই ধরনের হাতের লেখা দেখা যাচ্ছে, যা কোনোভাবেই আমার মেয়ের লেখার সঙ্গে মিলছে না।’ তিনি জানান, মরিয়ম এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল।
ঘটনার দিনের বর্ণনা দিয়ে মরিয়মের মা জানান, এমপি নজরুল ইসলাম তার অসুস্থ স্বামীকে ফোন করে দুজনকে দ্রুত আসতে বলেন। তিনি নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কারণে ঢাকায় আসতে না পারলেও তার স্বামীকে পাঠান। পরে তার স্বামী সেখানে গিয়ে দেখেন মরিয়ম ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে।
শোকার্ত মা বলেন, ‘মা হিসেবে আমার শেষ একটাই দাবি—যাদের কারণে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে বা করতে বাধ্য হয়েছে, তাদের যেন কঠিন শাস্তি দেওয়া হয়।’
