ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী জেলায় কেডি সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের কথা বলে প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী ‘মদিনা মসজিদ’ এবং ‘জামিয়াতুল কুরাইশ কাসাবান মসজিদ’-এর অংশবিশেষ বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দিয়েছে স্থানীয় পৌরসংস্থা। ১ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) ভারী যন্ত্রপাতি ও জেসিবি বুলডোজার নিয়ে এসে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
২০ ২৮ সালের উজ্জয়িনী ‘সিংহস্থ মেলা’-কে কেন্দ্র করে কেডি রোডের অবকাঠামো উন্নয়ন ও সড়ক প্রশস্তকরণের উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। তবে শতাব্দীর প্রাচীন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানোর ঘটনায় স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাস্থলে প্রতিবাদ ও বাকবিতণ্ডা
উচ্ছেদ অভিযান শুরুর পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ জানান। এ সময় উপস্থিত পুলিশ ও পৌর কর্মকর্তাদের সাথে স্থানীয়দের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। বিশৃঙ্খলা এড়াতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়।
মসজিদ কমিটি ও প্রশাসনের বক্তব্য
মদিনা মসজিদ কমিটির সদস্য শহীদ খান জানান, “মসজিদটি ১০০ থেকে ১৫০ বছরের পুরনো। সড়ক প্রকল্পের সুবিধার্থে স্থানীয় বাসিন্দারা আগেই নিজেদের দোকানপাটের অংশ ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু এভাবে শত বছরের পুরনো মসজিদে বুলডোজার চালানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।”
অন্যদিকে, পৌরসংস্থার অতিরিক্ত কমিশনার (সিংহস্থ) সন্তোষ ঠাকুর দাবি করেছেন, ভাঙা পড়া অংশগুলো চিহ্নিত সড়ক প্রসারণ সীমানার মধ্যেই ছিল এবং নিয়ম মেনেই তা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
সার্বিক পরিস্থিতি এবং ক্ষোভ নিরসনে উজ্জয়িনীর শহর কাজী খালিক-উর-রহমান জানিয়েছেন, তিনি খুব শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকে বসবেন। সূত্র: মুসলিম মিরর
