এম জি রাব্বুল ইসলাম পাপ্পু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:
উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামে সোমবার ভোরে দেখা মিলেছে ঘন কুয়াশার। জেলার মানুষ এটিকে শীতের আগমনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
সোমবার ভোরে জেলাজুড়ে নেমে আসে ঘন কুয়াশা। এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকে শহর ও গ্রামের পথঘাটসহ বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। এ সময় হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করে যানবাহন। ভোর থেকে চারদিক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাওয়ায় পথঘাট প্রায় দেখা যাচ্ছিল না। তারপরও জীবন ও জীবিকার তাগিদে কুয়াশা ভেদ করে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে ছুটছেন খেটে-খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষজন।
কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুরের ঘোড়ার গাড়ি চালক ডাবলু মিয়া বলেন, ‘পেটের তাগিদে ভোরবেলায়ই বের হতে হয়েছে। কুয়াশার কারণে আস্তে আস্তে গাড়ি নিয়ে যাচ্ছি।’ কয়েক দিন ধরে সামান্য কুয়াশা থাকলেও, আজ কুয়াশা অনেক বেশি।
ধরলা সেতুতে হাঁটতে আসা কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার শাওন ইসলাম সৈকত বলেন, ‘দিনের বেলা গরম থাকলেও শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা থাকছে। তবে আজ কুয়াশা অন্য দিনের তুলনায় বেশী। এমন পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে শীতের আগমন ঘটছে।’
আকস্মিক এই ঘন কুয়াশা এবং ধানের পাতার ডগায় শিশির বিন্দুকেকে জেলাবাসী শীতের আগাম বার্তা হিসেবে দেখছেন।
তবে জেলায় কুয়াশা দেখা দিলেও তাপমাত্রার কোন পরিবর্তন আসেনি।
স্থানীয় রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, এক সপ্তাহ ধরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩-২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। আজ সোমবারও জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এতে করে কুয়াশা পরলেও তাপমাত্রার পরিবর্তন হচ্ছে না। তবে এ মাসের শেষের দিকে শীত পুরোপুরি নামতে পারে।
এমএআর/
