দক্ষিণ কোরিয়ার বহুল পরিচিত কঠিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ‘সুনেউং’ এ অংশ নিতে এ বছর অর্ধ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী বসেছিল পরীক্ষার হলে। পরীক্ষার্থীরা যেন সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারে, তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।
এমনকি পরীক্ষার ইংরেজি অংশের শ্রবণ-অনুধাবন চলাকালে দেশের সব ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়।
মোট নিবন্ধন করেছে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৪ জন, যা গত বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই ২০০৭ সালে জন্ম নিয়েছে। সেই বছরটিকে কোরিয়ানরা শিশুজন্মের জন্য ‘শুভ বছর’ মনে করায় সে সময় জন্মহার বেড়ে গিয়েছিল।
ইনচিয়নসহ সব আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫ মিনিট থেকে ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়।
সকাল থেকে দেশের আর্থিক বাজার ও সরকারি–বেসরকারি অফিসগুলোও এক ঘণ্টা দেরিতে খোলা হয়, যেন পরীক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের যাতায়াতে কোনো সমস্যা না হয়। ৯ ঘণ্টাব্যাপী এই পরীক্ষা দক্ষিণ কোরিয়ার অতি প্রতিযোগিতামূলক সমাজে ভবিষ্যৎ সাফল্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
এআইএল/
