দেশে পেঁয়াজের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় সরকার আমদানির অনুমোদন দেয়। সেই অনুমোদনের পরদিনই রোববার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। আমদানির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাইকারি বাজারে এক রাতের ব্যবধানে কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ২৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে পেঁয়াজের দাম।
রোববার সকালে রাজধানীর শ্যামবাজার ও কারওয়ান বাজারে পাইকাররা বড় আকারের পেঁয়াজ কেজি ১০৫ টাকায় বিক্রি করেছেন, যা শনিবার বিকেলেও ছিল ১৩০ টাকা। ছোট দানার পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়—আগের দিন যা ছিল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। তবে খুচরা পর্যায়ে দাম কিছুটা কমলেও এখনও তুলনামূলক বেশি; গতকাল বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৩০–১৪০ টাকায়, যেখানে শনিবার তা ছিল ১৪০–১৫০ টাকা।
বিক্রেতাদের মতে, আমদানি শুরু হওয়ার পাশাপাশি নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম দ্রুত কমছে। গতকাল শ্যামবাজারে নতুন পেঁয়াজ পাইকারিতে ৬৫–৯০ টাকায় বিক্রি হয়—সকালে ৯০ টাকা থাকলেও বিকেলে নেমে আসে ৬৫ টাকায়। শনিবার এর দাম ছিল ৭৫–৯০ টাকা।
শ্যামবাজারের মেসার্স আনোয়ার বাণিজ্যালয়ের স্বত্বাধিকারী মো. রঞ্জু শেখ বলেন, পেঁয়াজের বাজার অনেকটাই হুজুগে ওঠানামা করে। আমদানি করা পেঁয়াজ এখনো বাজারে আসেনি, হয়তো রাতে আসবে। তবু কেবল আমদানির খবরেই পাইকারি বাজারে দাম নেমে গেছে। নতুন পেঁয়াজ আসাও দাম কমার বড় কারণ।
এদিকে দীর্ঘ তিন মাস পর ভারত থেকেও পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। রোববার বিকেল ৪টায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রথম চালানে ৩০ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করে। খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই হিলির কাঁচাবাজারে দাম কমতে শুরু করে। দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমে দাঁড়ায় ১০০ টাকায়, আর শুকনো দেশি পেঁয়াজ ২০ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকায়—যা আগের দিন ছিল ১৩০ টাকা।
টিএইচএ/
