অবশেষে ‘সুদ’ থেকে আয় নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন তাহেরি

by Abid

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের আলোচিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জনপ্রিয় বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরির হলফনামা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে তাঁর হলফনামায় ব্যাংক সুদ থেকে আয়ের তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল সমালোচনা। বিষয়টি নিয়ে এবার সরাসরি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এই নেতা।

তাহেরি দাবি করেছেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপতথ্য ছড়াচ্ছে। তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত হলফনামার ছকে ‘বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও ব্যাংক সুদ’—এই চারটি বিষয় একই কলামে অন্তর্ভুক্ত থাকে। সংবাদমাধ্যমগুলো কেবল ‘সুদ’ শব্দটিকে হাইলাইট করে সংবাদ পরিবেশন করায় ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ফরম্যাটের সীমাবদ্ধতাকে দায়ী করে তিনি বলেন, “ইসির উচিত ছিল এই বিষয়গুলোর জন্য আলাদা আলাদা কলাম রাখা। যদি আলাদা ঘর থাকত, তবে আমরা কোন খাতে টাকা জমা রেখেছি বা কী উদ্দেশ্যে আয় হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে পারতাম।”

বিজ্ঞাপন
banner

নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে তাহেরি আরও বলেন, “একই কলামে ৪-৫টি বিষয় থাকার পরও কেন শুধু ‘সুদ’ শব্দটিকে বেছে নেওয়া হলো, সেটা আমার বোধগম্য নয়। দেশের ৩০০ আসনের প্রায় সব প্রার্থীই তাদের হলফনামায় এই কলামটি পূরণ করেছেন। অনেকের ক্ষেত্রে এই অংক ৫ লাখ বা ৭০-৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছিল। অথচ আমার মাত্র ২২ হাজার টাকার বিষয়টি নিয়ে কেন এত মাতামাতি করা হচ্ছে?”

তিনি মনে করেন, এটি একটি পরিকল্পিত ‘খেলা’ যার মাধ্যমে একজন আলেম হিসেবে তাঁকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে।

হবিগঞ্জ-৪ আসনের এই নির্বাচনি লড়াইয়ে তাহেরির এই ব্যাখ্যা স্থানীয় ভোটার ও সমর্থকদের মাঝে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

টিএইচএ/৩৬ নিউজ

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222