মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন।
রোববার (১ মার্চ) ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে খামেনির মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং শোক পালনে রাজধানী তেহরানের এঙ্গেলাব স্কয়ারে হাজার হাজার মানুষ কালো পোশাকে সমবেত হয়েছেন। ১৯৮৯ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা ৮৬ বছর বয়সী এই নেতার মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে খামেনি হত্যার প্রতিবাদে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে ‘ভয়াবহতম’ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। ইতিমধ্যে দোহা, দুবাই ও মানামায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং ইসরায়েলে সতর্ক সংকেত বাজানো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান কোনো প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের ওপর নজিরবিহীন শক্তি প্রয়োগ করা হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
খন্ডচিত্র

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার শোক জানাতে ইরানিরা জড়ো হয়েছেন।


খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন।

খামেনির মৃত্যুতে তেহরানের মানুষ শোকাহত।

আইআরজিসি ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটির বিরুদ্ধে ইতিহাসের “সবচেয়ে ভয়াবহ” অভিযান শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।


ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে এই অঞ্চলে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটি, সেইসাথে ইসরায়েলের সামরিক সদর দপ্তর এবং তেল আবিবে অবস্থিত একটি প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্স, নতুন করে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
টিএইচএ/
