নকলের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক বলেছেন, আমরা এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশির ব্যবস্থা করেছি। এগুলো আগে ছিল না। এবার কোনো পরীক্ষার্থী মায়ের লেখা চিঠিও সঙ্গে নিতে পারবেন না। নকল আর অনিয়ম আমরা বন্ধ করেই ছাড়ব।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
তিনি বলেন, ২০০১ সালে নকলের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছিল এই কুমিল্লায়। আবার সেই কুমিল্লায় এসেছি।
নকল নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত নকলে সহায়তা করেছিলেন শিক্ষকরা। ২০০১ সালে থেকে ২০০৬ সালে আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলাম। ওই সময়েও আমাকে সহাযোগিতা করেছিলেন শিক্ষকরাই। তার মানে যেভাবে সরকার চায় আপনারা সেভাবে কাজ করবেন। এবার আমরা এসেছি, আমরা নকল চাই না।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা অনেক কাজ করেছি, স্বপ্ন একটি, তারেক রহমানের আগামীর বাংলাদেশ গড়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্য দশটা মন্ত্রণালয়ের মতো না। এখানে যারা কাজ করছেন তারা সবাই সদকায়ে জারিয়া পাবেন।
শিক্ষকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপনারা যদি সত্যিকার অর্থে ছাত্রদের লেখাপড়া শেখান তাহলে সদকায়ে জারিয়া পাবেন। আমি বলেছিলাম শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা। এখানে আপনি ওজু ছাড়া ঢুকতে পারবেন না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে থেকে অসৎ কাজ করা যায় না। এই মন্ত্রণালয়কে আমি পবিত্র করেছিলাম। সেখানে আপনারা কাজ করেছেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের আমি সব সময় প্রটেকশন দিতাম, না দিলে তো হবে না। কোনো শিক্ষক আহত হলে তাকে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দিতাম। তবে শিক্ষায় অনিয়ম ছাড় দেওয়া যাবে না। কারণ এটা শিক্ষা।
এনআর/
