নিজস্ব প্রতিবেদক (দিনাজপুর): পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে বিশাল আকৃতির লাল ও কালো রঙের তিনটি ষাঁড়। উন্নত জাতের এই ষাঁড়গুলোর নাম রাখা হয়েছে ‘নবাব’, ‘রক’ ও ‘কালো মানিক’। একেকটি ষাঁড়ের ওজন গড়ে ৭০০ থেকে ৭৫০ কেজি। দৈর্ঘ্য ৯ ফুট এবং উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট। বিশালাকার এই পশুগুলো এবার কোরবানির পশুর হাটে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দিনাজপুরের বিরল উপজেলা সদরের রবিপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষিবিদ শিশির শাহ তার নিজ খামার ‘শাহ ডেইরি ফার্ম’-এ সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে এই ষাঁড়গুলো লালন-পালন করেছেন। খামার সূত্রে জানা গেছে, তিন বছর আগে ওই খামারেই ফ্রিজিয়ান জাতের ‘নবাব’ এর জন্ম হয়। এছাড়া ‘কালো মানিক’ এর বয়স ১৯ মাস এবং ‘রক’ এর বয়স আড়াই বছর। বিশাল দেহের এই পশুগুলোকে সুস্থ রাখতে ২৪ ঘণ্টা বৈদ্যুতিক পাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দিনে তিন থেকে চারবার গোসল করানো হয়। কোনো ধরনের কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ ওষুধ ছাড়াই সঠিক পরিচর্যা ও সুষম খাবারের মাধ্যমে এগুলোকে বড় করা হয়েছে।
পেশায় কৃষিবিদ হওয়ায় শিশির শাহ বৈজ্ঞানিক ও টেকসই পদ্ধতিতে খামারটি পরিচালনা করছেন। বিশালাকার এই ষাঁড়গুলো দেখতে প্রতিদিন আশপাশের গ্রাম থেকে অসংখ্য মানুষ ভিড় করছেন তার খামারে। মালিক শিশির শাহ জানান, তিনি প্রতিটি ষাঁড়ের দাম ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা প্রত্যাশা করছেন। শৌখিন ক্রেতাদের নজর কাড়তে সক্ষম এই বিশালকার পশুগুলো হাটে ভালো দাম পাবে বলে তিনি আশাবাদী। দেশীয় খামারে বড় হওয়া এমন সুঠাম দেহের গরু কোরবানির বাজারে স্থানীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
টিএইচএ/
