ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, বিগত বহুবছর রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ যথাযথভাবে কাজ করতে পারে নাই।
তিনি বলেন, অতীতের প্রায় ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন ও পরবর্তী বিশেষ পরিস্থিতির অন্তর্বর্তী সরকারের পর এবার একটি নির্বাচিত স্বাভাবিক সরকারের অধীনে বাজেট প্রণয়ন হতে যাচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশ বহুমাত্রিক সংকটের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো প্রায় ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। চলমান পুনরুদ্ধারমূলক উদ্যোগগুলো স্থবির হয়ে পড়েছে এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, দারিদ্র্য বৃদ্ধি পেয়েছে, মানুষের আয় সক্ষমতা কমে গেছে। সঞ্চয় না বাড়ায় অনেকে সঞ্চয় ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন। একই সঙ্গে বিনিয়োগে কোনো ইতিবাচক গতি না থাকায় নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও কমে গেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান, বাজেটে যেন দারিদ্র্য দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবনমান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, সরকারি ব্যয় হ্রাস, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
সোমবার (১৮ মে) সকালে পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, কে এম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান, মাওলানা খলিলুর রহমান, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, এডভোকেট হাসিবুল ইসলাম, মাওলানা মকবুল হোসাইন, আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট মাহমুদুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম, মাওলানা হেমায়েতুল্লাহ, মাওলানা শামসুদ্দোহা আশরাফী, মাওলানা রেজাউল করীম আবরার, মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, মাওলানা মোস্তফা কামাল, মুফতি শেখ মুহাম্মাদ নুরুন্নাবী, এডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী, কেএম শরীয়াতুল্লাহ এবং শেখ ফজলুল করীম মারুফ প্রমুখ।
হাআমা/
