নিজস্ব প্রতিবেদক :: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ অন্তত দুইবার স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ হটিয়ে স্বাধীনতা এবং ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের অপশাসন থেকে স্বাধীনতা। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় হলো, আমাদের দণ্ডবিধি ও বিচার ব্যবস্থা আজও সেই উপনিবেশিক আদলে রয়ে গেছে। ফলে আইন অপরাধীর জন্য সুযোগ তৈরি করেছে আর বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘশ্বাস তৈরি করেছে। এই উপনিবেশিক আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের গণ-অনাস্থা তৈরি হয়েছে।
আজ ২২ মে, শুক্রবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর উত্তরার ভাটারাস্ত নগর উত্তর কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের শুরা বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শুরা বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি দেলোয়ার হোসেন সাকী, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মুজাহিদ, মুফতি ফয়জুল্লাহ, আলহাজ মোস্তফা আল মামুন মনির, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, মুফতি মো. মাছউদুর রহমান, আলহাজ আমীরুল হক, হাম্মাদ বিন মোশাররফ, মাহবুব ইসলাম, এইচ এম ইকবাল, ডা. মুজিবুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, মুহাম্মদ নাজমুল হাসান, মুফতি আরমান হোসাইন প্রমুখ।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, দেশে ধর্ষণের বিচার হয় না বললেই চলে। দেড় লাখ মামলা ঝুলে আছে। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতিই বাংলাদেশকে নারীদের জন্য মধ্যযুগীয় ইউরোপের মতো নিরাপত্তাহীনতায় নিপতিত করেছে। রামিসার সঙ্গে যা হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি আর হতে দেওয়া যাবে না। তাই বিচার বিভাগকে কার্যকর করতে হবে। আইনকে সক্রিয় হতে হবে। জনপ্রত্যাশাকে সম্মান দেখিয়ে বিদ্যমান আইন ও আইনি ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে।
