নিজস্ব প্রতিবেদক :: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ই-রিকুইজিশনে (শূন্য পদের চাহিদাপত্র) ভুল তথ্য প্রদান এবং নির্ধারিত সময়ে তথ্য যাচাই না করায় দেশের ২৩৭টি বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) মাউশির কলেজ শাখা-৩ (বেসরকারি কলেজ) থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভুল চাহিদা দেওয়ার কারণে একদিকে যেমন প্রশাসনিক বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে ভুল পদে নিয়োগ পেয়ে প্রার্থীরা এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি শিক্ষা অঞ্চলের মোট ২ হাজার ৩৩৭টি কলেজ পর্যায়ের শূন্যপদের তথ্য যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ১০০টি পদের চাহিদা সঠিক পাওয়া গেলেও ২৩৭টি পদের চাহিদা ভুল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কলেজগুলো থেকে, যেখানে ১২১টি পদে ভুল চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল অঞ্চলে ৩৯টি, খুলনা অঞ্চলে ৩৮টি, রাজশাহী অঞ্চলে ১৪টি, রংপুর অঞ্চলে ১১টি, ঢাকা অঞ্চলে ৫টি, সিলেট অঞ্চলে ৪টি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩টি এবং কুমিল্লা অঞ্চলের কলেজগুলোতে ২টি পদের ভুল চাহিদা দেওয়া হয়েছে।
মাউশি জানিয়েছে, ভুল চাহিদা প্রদান এবং তথ্য সরবরাহ না করায় জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১-এর ১৮.১ (ঘ) মোতাবেক কেন সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদের এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হবে না, তার জবাব চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গভর্নিং বডির সভাপতির পদশূন্য ঘোষণাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে মতামত পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
