সিদ্দিক মামুন, টঙ্গীবাড়ি
বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস বৈশাখ চলছে। নববর্ষের উৎসবের রেশ এখনও চারপাশে বিদ্যমান থাকলেও প্রকৃতির রুদ্ররূপে মুন্সীগঞ্জ জেলা টঙ্গীবাড়িবাসী এখন দিশেহারা। বৈশাখের মাঝামাঝি এসে সূর্য যেন তার অগ্নিমূর্তি ধারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার টঙ্গীবাড়িতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে প্রায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৯৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট)।
এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘ লোডশেডিং জনজীবনকে করে তুলেছে আরও দুর্বিষহ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদ্যুৎ তিনবার বিচ্ছিন্ন হয়, যার মধ্যে প্রতিবারই বিদ্যুৎহীন সময় ছিল দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা। এর ফলে শিশু, বয়স্ক ও রোগীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন।
এ প্রসঙ্গে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার জনাব সাজু জানান, “আজকে রোগীর চাপ তুলনামূলক একটু বেশি ছিল। গরমের কারণে ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতাজনিত সমস্যা নিয়ে বেশ কিছু রোগী এসেছেন। তবে আমরা প্রস্তুত ছিলাম, তাই সেবা দিতে সমস্যা হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, “গরম যেহারে বাড়ছে, সবাইকে সচেতন হতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে এবং রোদে বের হওয়া এড়াতে হবে।”
গরম ও লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নয়ানন্দ থেকে আসা রোগী জনাব মোক্তার হোসেন। তিনি বলেন, “এই সময় একটু গরমই থাকে। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকলে সব অসুবিধা হয়। সরকারের কাছে অনুরোধ, কারেন্টটা যেন ঠিকমতো দেয়। চিকিৎসা সেবা ভালোই পাইছি।”
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, যদি দ্রুত বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান না হয়, তবে পরবর্তী সময়ে আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। গ্রীষ্মের শুরুতেই এমন দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
এনএ/
