নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের বাস্তবতা বিবর্জিত প্রস্তাবগুলো বাতিল করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান এমএ মতিন।
গতকাল (২৬ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, কমিশনের প্রকাশিত প্রতিবেদন পড়ে আমরা খুবই বিস্মিত ও মর্মাহত হয়েছি। এতে নারী স্বাধীনতার নামে খোদাদ্রোহিতা, নাস্তিকতা, কোরআন সুন্নাহ-বিরোধী প্রস্তাব এসেছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এদেশে আল্লাহর বিধান ও রাসুলের সুন্নাহ বলবৎ থাকা বাঞ্ছনীয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বিরোধী নয়, বিনিয়োগের নামে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পুনর্বাসন মার্কা বিনিয়োগের বিপক্ষে। স্বয়ংসম্পূর্ণ নিউ মুরিং বন্দর তার নিজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করবে। যাতে বন্দরের নিজস্ব বিনিয়োগ সুরক্ষা থাকে। নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের বিতর্কিত প্রস্তাবগুলো দেশ ও জাতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। বিবাহ ও বিচ্ছেদে ধর্মীয় আইন বাধ্যতামূলক হওয়ায় নারীরা-বৈষম্যের শিকার বলে যে কথা উল্লেখ আছে তা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এমন গর্হিত অনেকগুলো অপ্রাসঙ্গিক বিষয় উপস্থাপিত হয়েছে। এ বিষয়গুলোর সুরাহা না হলে সরকার বিতর্কে পড়বে।
সংগঠনের মহাসচিব স উ ম আব্দুস সামাদের লিখিত বক্তব্যে অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান এমএ মতিন, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদ খান, গণফোরামের মহাসচিব ডা. মিজানুর রহমান, জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি ও দৈনিক ডেসটিনির (ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক) কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুুগ্ম সদস্য সচিব মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় সংগঠক ও লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য মুহাম্মদ সানাউল্লাহ খান প্রমুখ।
এআইএল/
