হবিগঞ্জের শায়েস্তানগর এলাকায় মাদরাসাছাত্র হাফেজ আহমদ মনসুর হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ, সভাপতি পরিষদ সদস্য আশরাফুল ইসলাম সাদ ও মাহদী হাসান শিকদার। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা হত্যার রহস্য উদঘাটন ও দ্রুত বিচার দাবি করেন।
বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২২ জুন রাতের আঁধারে পৌরসভার শায়েস্তানগর ঈদগাহ এলাকার নিজ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় হাফেজ আহমদ মনসুরকে। তার বয়স ছিল আনুমানিক ১৮-১৯ বছর। তিনি “দারুল ইরশাদ বহুলা মাদরাসা”র সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। হিফজ শেষ করে আলিয়া ধারার প্রাথমিক শিক্ষার পর ওই মাদরাসায় ভর্তি হন। কুরবানির ছুটিতে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ায় মাদরাসায় ফিরতে পারেননি।
নেতারা বলেন, পরিবার জানিয়েছে—রাতের গভীরে অজ্ঞাত কেউ তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় এবং পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এমন বর্বর ও পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড শুধু ব্যক্তি নয়, বরং গোটা শিক্ষাঙ্গন ও ছাত্রসমাজের জন্য এক চরম আতঙ্কের বার্তা।
তারা আরও বলেন, হাফেজ মনসুর ছিলেন বিনয়ী, শান্ত স্বভাবের ও অপরাধমুক্ত একজন ছাত্র। তার বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতা বা অপরাধ সংশ্লিষ্টতার তথ্য নেই। তাকে এভাবে হত্যা নৃশংসতার চরম দৃষ্টান্ত।
বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তারা হুঁশিয়ার করে বলেন, হত্যার তদন্তে গাফিলতি, কালক্ষেপণ বা প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন ছাত্রের জীবন যেভাবে নির্মমভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তা শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্রসমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। এ হত্যার বিচার যেন সমাজে ন্যায়বিচারের বার্তা হয়ে ওঠে—এটাই প্রত্যাশা।
হাআমা/
