নারায়ণগঞ্জের মাসুম হত্যার রহস্য উদঘাটন

by Fatih Work

ডেস্ক রিপোর্ট:

গত ০৫ নভেম্বর ২০২২ সন্ধ্যায় অটো চালানোর কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন মাসুম হাওলাদার। দুই দিন পর ০৭ নভেম্বর সকাল ৯:৩০ ঘটিকায় বন্দর থানাধীন চণ্ডীতলা কবরস্থানের পাশে খালের ডোবার মধ্যে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী মোসা. শিরিন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে গত ১১/০৫/২০২৩ খ্রি. তারিখে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে পুলিশ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান মামলাটি তদন্ত করছেন।

বিজ্ঞাপন
banner

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা আসামী মো. রানা ওরফে সোহেল ওরফে অটো রানা ওরফে জামাই রানা (৩০) কে গত ২৩/১১/২০২৫ তারিখ বিকাল অনুমান ৪:৩৫ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কায়েমপুর ওয়াপদা পুল এলাকা থেকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করলে আসামী রানা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতে ফৌ. কা. বি. এর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে জানা যায় যে, ‘ভিকটিম এবং আসামীগণ একই সার্কেলের এবং প্রত্যেকেই মাদক সেবন করত। ভিকটিমের স্ত্রী পূর্বে গ্রেফতারকৃত আসামী সালাউদ্দিন সনির হোশিয়ারিতে কাজ করত। আসামী সালাউদ্দিন সনি একাধিক বার ভিকটিমের স্ত্রীকে কু-প্রস্তাব দেয়। এই বিষয়ে ভিকটিম প্রবিবাদ করলে সালাউদ্দিন সনি তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। গত ০৫ নভেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখ সন্ধ্যায় আসামী সালাউদ্দিন সনি অটো রানার সহযোগিতায় অজ্ঞাতনামা আরো ০৩ জনসহ মোট ০৫ জন মাদক সেবনের কথা বলে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় এবং একত্রে মাদক সেবন করে। পূর্বপরিকল্পণা অনুসারে আসামীরা ভিকটিমকে কুপিয়ে হত্যা করে ঘটনাস্থলে পাশের খালে লাশ ডুবিয়ে রেখে পালিয়ে যায়।’ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এমএআর/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222